সনাতনীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন এমপি আশফাক
যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভোটের আগে দেওয়া কথা রাখলেন ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।
নির্বাচনের আগে তিনি নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের ভাঙ্গাভিটা গ্রামে শতভাগ হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাসরত গ্রামে উঠান বৈঠক করেন। সেখানে গিয়ে ভোট চেয়ে তিনি বলেছিলেন, ওই কেন্দ্রে তিনি পাশ করলে দুর্গম ভাঙ্গাভিটা থেকে প্রথম উন্নয়ন কাজ শুরু করবেন।
সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১টায় ভাঙ্গাভিটা গ্রামে উপস্থিত হয়ে আবু আশফাক বলেন, নির্বাচনে ওয়াদা করেছিলাম- সনাতনী ভাই বোনেরা আমাকে বেশি ভোটে পাশ করালে পুরস্কার দেব। সেই ঋণ শোধ করতে আজ এসেছি। উন্নয়নের প্রথম পুরস্কার হিসেব মন্দিরের জন্য ২ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে পিছিয়ে থাকা এ গ্রামবাসীর জন্য কৈলাইল থেকে ভাঙ্গাভিটা হয়ে কামারকান্দা পর্যন্ত রাস্তাটি আগামী এক বছরের মধ্যে পিচঢালাই করে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলার দুর্গম এলাকা ভাঙ্গাভিটায় এখনো উপজেলার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম নৌকা। ইছামতি নদীতে যাতে কেউ বালু তুলে জীবন বিপন্ন করতে না পারে সেই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো মাদক সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো ঘৃণিত ঘটনা ঘটালে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। কৃষকদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ওই গ্রামের ভাঙ্গাভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৯২৪ ভোটের মধ্যে ১৪০২ জন ভোট দেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে খন্দকার আবু আশফাক পান ১৩৭৭ ভোট। সনাতনী সম্প্রদায়ের এ সমর্থনকে তিনি প্রথম বিজয় হিসেবে দেখেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ, সৈয়দ আহমেদ খান, সমাজসেবক আব্দুর রউফ মন্টু, দীন ইসলাম, স্কুলশিক্ষক লক্ষণ সিদ্ধা, লিটন দাস, নরেন্দ্র মেম্বার, জীবন মেম্বার, কীর্তন সিদ্ধা প্রমুখ।
