ওয়াকিটকি পুলিশ কর্মকর্তার, আর জেল খাটছেন ব্যবসায়ী
সংবাদ সম্মেলনে দাবি
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিলেট নগরের বিমানবন্দর রোড এলাকায় চেকপোস্টে ওয়াকিটকি উদ্ধারের ঘটনাকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ী লিটন মিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে তার পরিবার।
মঙ্গলবার সিলেট প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিটনের বড় ভাই মহরম আলী নানান অভিযোগ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন- চেকপোস্টে আটকের ঘটনাকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে তার ভাই ও গাড়িচালক জুনায়েদ আহমদ লিটনকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে এয়ারপোর্ট রোডের অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড এলাকায় পুলিশের চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশিকালে একটি ওয়াকিটকি ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। তবে মূল ঘটনা হলো- ওই গাড়িটি কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই কামরুলের।
মহরম আলীর দাবি অনুযায়ী, ঘটনার রাতে এসআই কামরুল তার নিজস্ব গাড়িতে লিটনকে তুলে নিয়ে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হন, কিন্তু পথে একটি সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি মাঝপথে নেমে যান এবং লিটন ও চালককে গাড়িটি নিয়ে নগরে যেতে বলেন। চেকপোস্টে আটকের পর লিটন ও চালক পুলিশকে জানান- গাড়ি ও ওয়াকিটকি এসআই কামরুলের এবং এসআই কামরুল নিজে ঘটনাস্থলে এসে এ সরঞ্জামের মালিকানা স্বীকারও করেছিলেন। অথচ পরবর্তীতে একটি প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে লিটন ও জুনায়েদকে ডাকাত সাজিয়ে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়, যেখানে এসআই কামরুলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পরিবারটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, লিটন মিয়ার পেশাগত অবস্থান ও গণঅধিকার পরিষদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ক্ষুণ্ণ করতেই এ সাজানো মামলা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে লিটন ও জুনায়েদের মুক্তি দাবি করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তদন্ত ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
