প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়ছেন বাদশা, কে এই বিএনপি নেতা
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০২ পিএম
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে ভোট দিলেন বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন চলছে। নির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে।
রেজাউল করিম বাদশা বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বগুড়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তিনি বগুড়া শহরের শিববাটি এলাকার মো. শাহ আলম ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম মনোয়ারা বেগম কল্পনা।
বাদশার নামে হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো চার্জের জন্য তদন্তনাধীন। ১২টি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। সেগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বাদশা।
রেজাউল করিম বাদশা আশির দশকে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, দুবার বগুড়া শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।
তিনি স্থানীয় জনপ্রিয় দৈনিক বগুড়ার সম্পাদক। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতার সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি, বগুড়া বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের সহ-সভাপতি, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সদস্য সচিব ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনকে উৎসবে পরিণত করেছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনে দুটি আসনে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণের আগের দিন একটি আসন ছেড়ে দেন তিনি। এ কারণে আসনটিতে এখন উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সবকটি জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। এর মধ্যে ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
