ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে টানা সহিংসতায় দুই দিনে দুই সশস্ত্র গ্রুপের দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) ও বুধবার উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮/ইস্ট ব্লক ও উখিয়ার ক্যাম্প ৮/ইস্ট এলাকায় এ পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন- কথিত ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান আব্দুল হালিম এবং আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) বা নবী হোসেন গ্রুপের প্রধানের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামাল। এতে ক্যাম্পজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র সদস্যরা আব্দুল হালিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া আজ বুধবার (৬ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প- ৮/ইস্ট এলাকায় আরেকটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন নবী হোসেন গ্রুপের প্রধানের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামাল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজ আমিন হালিম হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। দুটি ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় আবারও উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

-69fb40fc01862.jpg)