কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসসহ গ্রেফতার ৫
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থী গ্রেফতার।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের গ্রেফাতার করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় পাসের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিল।
গ্রেফতাররা হলেন সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের জহুর আলীর ছেলে মো. শান্ত মিয়া।
জানা যায়, শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ অন্যান্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা শনিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শুরুর পর পাঁচ পরীক্ষার্থীর কাছে অভিনব কায়দায় গেঞ্জির ভেতরে ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো অবস্থায় ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুলিশ নিয়োগের শারীরিক পরীক্ষা পাসের পর তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়। পরবর্তীতে অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস তাদের শরীরে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠানো হয়। কারও গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় ডিভাইস লুকানো ছিল। ডিভাইস লুকানোর জন্য এসব পরিধেয় বস্ত্র বিশেষভাবে তৈরি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে কাজ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

