Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৫৬ ফুট লম্বা মৃত তিমি

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৫৬ ফুট লম্বা মৃত তিমি

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৫৬ ফুট লম্বা মৃত তিমি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে প্রায় ৫৬ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিশালাকার মৃত বেলিন তিমি ভেসে এসেছে। সোমবার দুপুরে কাউয়ার চর বসুধা আইল্যান্ডসংলগ্ন সৈকতে তিমিটি শনাক্ত করেন উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) সদস্যরা। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভিড় জমে।

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপরার আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু জানান, স্থানীয় ট্যুর গাইড তরিকুল ইসলাম সকালে তিমিটি দেখতে পেয়ে তাদের অবহিত করেন। পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হয়।

তিনি বলেন, মৃত তিমিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ ফুট এবং প্রস্থ ১৬ ফুট। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রাণীটির মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

উপকূল ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এর আগে ২০১৮, ২০২২ এবং চলতি বছরের ৩ জুনও কুয়াকাটা সৈকতে একই প্রজাতির মৃত তিমি ভেসে আসে। এর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে তিমি, ডলফিন ও সামুদ্রিক কচ্ছপের মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক রাজীব সরকার বলেন, বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে এটি বেলিন তিমি বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমুদ্রের পরিবেশগত পরিবর্তন, খাদ্য সংকট, অসুস্থতা, জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ কিংবা সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে এ ধরনের সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী উপকূলে ভেসে আসতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, তিমিটির নমুনা সংগ্রহ ও প্রজাতি শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ গবেষণার স্বার্থে এর কঙ্কাল সংরক্ষণের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসীন সাদেক জানান, তিমিটি পচাগলা অবস্থায় থাকায় বন বিভাগ ও কুয়াকাটা পৌরসভার সহযোগিতায় সেটিকে মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্গন্ধের কারণে পর্যটক ও স্থানীয়দের ভোগান্তি না হয়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .