নেত্রকোনার সেই চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিষদে ফিরেছেন
jugantor
নেত্রকোনার সেই চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিষদে ফিরেছেন

  কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৪০:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার সেই চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিষদে ফিরেছেন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের নিজ নিজ পরিষদে ফিরেছেন। বুধবার থেকে তারা যথারীতি ইউনিয়ন পরিষদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যানরা পালিয়ে থাকায় ওই চার ইউনিয়নের বাসিন্দা ও পরিষদের কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছিল।

ওই চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলাসহ বিভিন্ন মামলা চলমান ছিল।

এর পর থেকে গ্রেফতারের ভয়ে খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, লেঙগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাইদুর রহমান ভুঁইয়া, কলমাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্য শেখ গোলাম মৌলা এবং কৈলাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল ভুঁইয়া পলাতক ছিলেন।

ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন সনদ না পেয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা চরম বিপাকে ছিলেন। এ ছাড়া জমি ক্রম-বিক্রয় খারিজ, নামজারি, ওয়ারিশান সনদ, অবসর, পেনশন, ভিজিডি, ভিজিএফ বিতরণ, প্রতিবন্ধী ভাতা ও বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইউপি চেয়ারম্যানের সনদ বাধ্যতামূলক হওয়ায় তা না পেয়ে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ উচ্চ আদালতের আইনজীবী এবিএম রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা জানান, সোমবার বিকালে তারা হাইকোর্টের ১৭ ও ১৮ বেঞ্চে হাজির হয়ে পৃথক পৃথক মামলায় জামিন আবেদন করলে আদালত ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।

নেত্রকোনার সেই চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিষদে ফিরেছেন

 কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৫ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনার সেই চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিষদে ফিরেছেন
নেত্রকোনা ম্যাপ

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের নিজ নিজ পরিষদে ফিরেছেন। বুধবার থেকে তারা যথারীতি ইউনিয়ন পরিষদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 

দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যানরা পালিয়ে থাকায় ওই চার ইউনিয়নের বাসিন্দা ও পরিষদের কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছিল।

ওই চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলাসহ বিভিন্ন মামলা চলমান ছিল। 

এর পর থেকে গ্রেফতারের ভয়ে খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, লেঙগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাইদুর রহমান ভুঁইয়া, কলমাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্য শেখ গোলাম মৌলা এবং কৈলাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল ভুঁইয়া পলাতক ছিলেন। 

ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন সনদ না পেয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা চরম বিপাকে ছিলেন। এ ছাড়া জমি ক্রম-বিক্রয় খারিজ, নামজারি, ওয়ারিশান সনদ, অবসর, পেনশন, ভিজিডি, ভিজিএফ বিতরণ, প্রতিবন্ধী ভাতা ও বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইউপি চেয়ারম্যানের সনদ বাধ্যতামূলক হওয়ায় তা না পেয়ে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ উচ্চ আদালতের আইনজীবী এবিএম রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা জানান, সোমবার বিকালে তারা হাইকোর্টের ১৭ ও ১৮ বেঞ্চে হাজির হয়ে পৃথক পৃথক মামলায় জামিন আবেদন করলে আদালত ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন