চাঁদপুর কেন্দ্রের প্রবেশপত্র দিনাজপুরে! মাদ্রাসাপ্রধান পলাতক

  চাঁদপুর প্রতিনিধি ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারা দাখিল পরীক্ষার্থী রুনা ও তার পরিবার।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারা দাখিল পরীক্ষার্থী রুনা ও তার পরিবার। ছবি: যুগান্তর

দেশের ১০ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

অথচ পরীক্ষার দিনও প্রবেশপত্র হাতে পায়নি এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী।

যে কারণে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি রুনা আক্তার নামে ওই শিক্ষার্থী।

তার প্রবেশপত্র দিনাজপুরে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী আবদুল খালেক হাওলাদার।

পরীক্ষা দিতে না পারার ক্ষোভ ও অভিমানে বাড়িতে আত্মহননের চেষ্টা করেছে ওই শিক্ষার্থী।

শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া গ্রামের মোল্লাবাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, রুনা ওই ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল।

রুনার বাবা নুরু মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, মাদ্রাসার অন্য পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র এলেও রুনার প্রবেশপত্র দেয়নি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভুলে তার মেয়ে পড়াশোনায় একটি বছর পিছিয়ে পড়ল জানিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী রুনার বাবা।

অথচ পরীক্ষা বাবদ সব বকেয়াসহ পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রবেশপত্র কেন দিনাজপুরে চলে গেল, এ প্রশ্নে মাদ্রাসার অফিস সহকারী আবদুল খালেক হাওলাদার বলেন, এটি প্রতিষ্ঠানের ভুল ছিল। রুনার বাবার নাম ঠিক থাকলেও রুনার মায়ের নাম ভুল দেয়া হয়।

এ কারণে প্রবেশপত্র চাঁদপুরে না এসে দিনাজপুর জেলায় চলে যায় বলে জানান মাদ্রাসার অফিস সহকারী।

তবে পরীক্ষার আগে এ সমস্যার সমাধান করা কেন সম্ভব হয়নি জানতে গেলে আবদুল খালেক হাওলাদার বলেন, এর জবাব মাদ্রাসার সুপার (প্রধান) আহসান উল্যাহ দিতে পারবেন।

এ বিষয়ে জানতে গেলে ওই মাদ্রাসার সুপার (প্রধান) আহসান উল্যাহর খোঁজে মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানান, রুনার আত্মহত্যার চেষ্টার খবর ছড়িয়ে পড়লে আহসান উল্যাহ গা ঢাকা দেন।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা নুরু মোল্লা চাঁদপুর মডেল থানা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতেমা বলেন, বিষয়টির তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×