যশোরে বন্ধুকে উদ্ধার করতে গিয়ে খুন হন মামুন

  যশোর ব্যুরো ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৩২ | অনলাইন সংস্করণ

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন

বন্ধু বাপ্পা বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাদের আটকে ব্লাকমেইল করে চাঁদা দাবি করা হয়। বন্ধুর ফোন পেয়ে উদ্ধার করতে যান আবদুল্লাহ আল মামুন (৩২)।

সেখানে ছুরিকাঘাত ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় আবদুল্লাহ আল মামুনকে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

এ ঘটনায় যশোর কোতয়ালি থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এরমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিফ্রিংয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন এ তথ্য জানান।

জানা গেছে শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরতলীর শেখহাটি জামরুলতলা তারা মসজিদ জোড়া পুকুরপাড়ে ছুরিকাঘাতে আবদুল্লাহ আল মামুন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হন। এদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

নিহত মামুন যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মৃত আবদুর রবের ছেলে।

প্রেসবিফ্রিং আনসার উদ্দিন জানান, মামুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মা বকুল খাতুন কোতয়ালী থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- যশোর শহরের ঘোপ এলাকার আবদুস সবুর খোকার ছেলে সুজন ওরফে ছোট সুজন (১৬), সদর উপজেলার শেখহাটি খাঁপাড়া এলাকার তাজু শেখের ছেলে তামিম রেজা (১৮), সদরের শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার রেজাউলের ছেলে ফয়সাল (১৬) ও হারুন শেখের ছেলে সুমন (১৬)।

বাকী ৫ আসামি হলো- শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার সাগর (১৬), ইমন (১৬), মঞ্জিল (১৭), হৃদয় (১৮) ও খানজাহান (১৮)।

বিফ্রিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল গোলাম রব্বানী বলেন, যশোর শহরতলীর শেখহাটি জোড়া পুকুর এলাকায় বাপ্পা নামের এক যুবক বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে যান। সেখানে ফয়সাল, সাগর ও হৃদয় নামে কয়েকজন যুবক তাকের আটকে ব্লাকমেইল করে। তারা টাকা দাবি করে। বিষয়টি ফোনে তার বন্ধুদের জানায়।

তিনি বলেন, তারা সেখানে গিয়ে সাগরকে মারতে গেলে তার মা শেফালি বেগম ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাহত হন। এরপর সাগরের সঙ্গীরা বাপ্পার বন্ধু মামুন ও আরিফকে ছুরিকাঘাত করে। এদের মধ্যে মামুন মারা যান। আরিফকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

গোলাম রব্বানী বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনসার উদ্দিন ও আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। এরপর অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×