আট বছর পর দুয়ার খুলল কারমাইকেলের ২ ছাত্রাবাসের

  রংপুর ব্যুরো ০৫ মার্চ ২০১৯, ২০:০৬ | অনলাইন সংস্করণ

কারমাইকেল কলেজ
কারমাইকেল কলেজ। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ আট বছর বন্ধ থাকার পর চালু হলো উত্তরবঙ্গের অন্যতম বিদ্যাপীঠ কারমাইকেল কলেজের দুটি ছাত্রাবাস।

গোপাল লাল (জিএল) ছাত্রাবাস এরই মধ্যে ছাত্রদের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়েছে। কাশিম বাজার (কেবি) ছাত্রাবাস কয়েক দিনের মধ্যেই বসবাস উপযোগী হয়ে উঠবে।

তবে দুই ছাত্রাবাস মিলিয়ে মাত্র ২২০টি আসন প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে খুবই অপ্রতুল উল্লেখ করে দ্রুত বাকিগুলোও সংস্কার ও নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

কারমাইকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৫ মার্চ কলেজের সব ছাত্রাবাস (কেবি, জিএল ও ওসমানী) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়। ছাত্রাবাস বন্ধের বিজ্ঞপ্তিতে ‘অনভিপ্রেত’ কারণ উল্লেখ করা হলেও জানা যায়, তখন হলগুলো ইসলামী ছাত্রশিবিরের দখলমুক্ত করতে এ উদ্যোগ নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সে সময় কলেজের সব কটি ছাত্রাবাস ছিল শিবিরের ক্যাডার বাহিনী নিয়ন্ত্রিত। রংপুর অঞ্চলের শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক তৎপরতা কারমাইকেল কলেজের ছাত্রাবাস থেকে পরিচালিত হতো।

এদিকে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ওসমানী ছাত্রাবাস ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কারমাইকেল মুসলিম (সিএম) ছাত্রাবাসটি ২০০৮ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, জিএল ছাত্রাবাসের সামনে একাধিক ছাত্রের জটলা। অনেকেই ছাত্রাবাসে থাকার নিয়মকানুন জানতে এসেছেন।

জিএল ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছাত্র ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৪ জন ভর্তি হয়েছে। অনেকে খোঁজখবর নিতে আসছে। এখানে ১৭০ ছাত্র থাকতে পারবে। প্রত্যেকের মাসে খরচ পড়বে দেড় হাজার টাকা। তবে এ ছাত্রাবাসের এখনো আরও সংস্কার দরকার বলে জানান তিনি।

কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দূর-দূরান্ত থেকে যারা পড়তে আসেন, তাদের কলেজপাড়া এলাকায় মেসে থাকতে হয়। এতে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয় তাদের। অথচ ছাত্রাবাসে থাকতে পারলে খরচ হবে এর অর্ধেক। এ কারণে ছাত্রাবাস চালু হওয়ায় তারা খুশি। তবে আসন যেহেতু সীমিত, সেহেতু মেধার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানান তারা।

কারমাইকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন বলেন, বর্তমান অধ্যক্ষ যোগ দেয়ার পর থেকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাত্রাবাস চালুর উদ্যোগ নেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কেবি ও জিএল ছাত্রাবাস খোলা ও আবাসিক ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া এইচএসসির ছেলেমেয়েদের জন্য দুটি ছাত্রাবাস নির্মাণের কাজ চলছে। প্রতিটির আসন সংখ্যা হবে ১৩০।

এদিকে ব্যবহার অনুপযোগী ওসমানী এবং পরিত্যক্ত ঘোষিত সিএম ছাত্রাবাস দুটিও চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ আনোয়ার হোসেন।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×