সাতক্ষীরার কলেজছাত্রের ত্রিখণ্ডিত লাশ খুলনায়
jugantor
সাতক্ষীরার কলেজছাত্রের ত্রিখণ্ডিত লাশ খুলনায়

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

০৮ মার্চ ২০১৯, ২১:১৩:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

বেড়ানোর কথা বলে নিজের মোটরসাইকেলে খুলনায় গিয়েছিলেন সাতক্ষীরার হাবিবুর রহমান সবুজ (২৬)। তিন দিন পর তার বস্তাবন্দি ত্রিখণ্ডিত লাশ পাওয়া গেছে খুলনাতেই।

তবে শুক্রবার সকালে সবুজের ফোন থেকে তাদের বাড়িতে একটি কল আসে। ফোনের ওই প্রান্ত থেকে বলা হয় ‘সবুজকে আমরা বেঁধে রেখেছি। ছয় লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে’।

পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

এদিকে শুক্রবার সবুজের লাশ শনাক্ত করেছেন তার বাবা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ওমরাপাড়া গ্রামের আদুল হামিদ।

সবুজ ঢাকায় লেখাপড়া করতেন। কয়েক দিন আগে ক্যানসারে আক্রান্ত মা জাহানারা খাতুনকে দেখতে বাড়ি এসেছিলেন তিনি।

সবুজের বাবা জানান, মঙ্গলবার সকালে তার মাকে জানিয়ে নিজের মোটরসাইকেলে খুলনায় যায় সবুজ। পরদিন ফিরে আসার কথাও বলেছিল সে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ফিরে না আসায় তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করেন। ওই রাতেই খুলনার ফারাজিপাড়া মোড়ে পলিথিনের বস্তায় মোড়ানো একটি ত্রিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সবুজের বাবা তাকে নিজের ছেলে হাবিবুর রহমান সবুজ বলে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নিয়ে যাওয়া হয় খুলনা হাসপাতাল মর্গে।

সবুজের বাবা আদুল হামিদ জানান, বৃহস্পতিবার তার খোঁজ জানতে খুলনায় ফোন করা হলে সাদি নামের এক ব্যক্তি ফোনটি রিসিভ করে জানায় ‘সবুজ মোস্তফা মামার সঙ্গে যশোর গেছে’। এরপর থেকে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তার ছেলের সঙ্গে খুলনায় একজনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। এ ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে সবুজের বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়। ওই মামলায় কিছুদিন আগে তার ছেলে জেলও খেটেছিল। ব্যবসার টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাকে খুলনায় কৌঁশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সবুজের লাশ নিতে খুলনায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরার কলেজছাত্রের ত্রিখণ্ডিত লাশ খুলনায়

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
০৮ মার্চ ২০১৯, ০৯:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বেড়ানোর কথা বলে নিজের মোটরসাইকেলে খুলনায় গিয়েছিলেন সাতক্ষীরার হাবিবুর রহমান সবুজ (২৬)। তিন দিন পর তার বস্তাবন্দি ত্রিখণ্ডিত লাশ পাওয়া গেছে খুলনাতেই।

তবে শুক্রবার সকালে সবুজের ফোন থেকে তাদের বাড়িতে একটি কল আসে। ফোনের ওই প্রান্ত থেকে বলা হয় ‘সবুজকে আমরা বেঁধে রেখেছি। ছয় লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে’।

পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

এদিকে শুক্রবার সবুজের লাশ শনাক্ত করেছেন তার বাবা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ওমরাপাড়া গ্রামের আদুল হামিদ।

সবুজ ঢাকায় লেখাপড়া করতেন। কয়েক দিন আগে ক্যানসারে আক্রান্ত মা জাহানারা খাতুনকে দেখতে বাড়ি এসেছিলেন তিনি।

সবুজের বাবা জানান, মঙ্গলবার সকালে তার মাকে জানিয়ে নিজের মোটরসাইকেলে খুলনায় যায় সবুজ। পরদিন ফিরে আসার কথাও বলেছিল সে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ফিরে না আসায় তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করেন। ওই রাতেই খুলনার ফারাজিপাড়া মোড়ে পলিথিনের বস্তায় মোড়ানো একটি ত্রিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সবুজের বাবা তাকে নিজের ছেলে হাবিবুর রহমান সবুজ বলে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নিয়ে যাওয়া হয় খুলনা হাসপাতাল মর্গে।

সবুজের বাবা আদুল হামিদ জানান, বৃহস্পতিবার তার খোঁজ জানতে খুলনায় ফোন করা হলে সাদি নামের এক ব্যক্তি ফোনটি রিসিভ করে জানায় ‘সবুজ মোস্তফা মামার সঙ্গে যশোর গেছে’। এরপর থেকে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তার ছেলের সঙ্গে খুলনায় একজনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। এ ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে সবুজের বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়। ওই মামলায় কিছুদিন আগে তার ছেলে জেলও খেটেছিল। ব্যবসার টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাকে খুলনায় কৌঁশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সবুজের লাশ নিতে খুলনায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন