আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ পুলিশের
jugantor
ডা. আকাশের আত্মহত্যা
আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ পুলিশের

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১১ মার্চ ২০১৯, ০৯:১৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ পুলিশের
স্ত্রীর সঙ্গে ডা. আকাশের ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছে পুলিশ।

এদিকে আকাশ ও তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে মুছে ফেলা ছবি, ভিডিও এবং এসএমএস পুনরুদ্ধারে মোবাইল সেট দুটি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া ডা. আকাশের মৃত্যুর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। চান্দগাঁও থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, ৬ আসামির মধ্যে শুধু মিতুকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিরা পলাতক। এর মধ্যে বেশিরভাগ আসামি আমেরিকায় অবস্থান করছে।

স্ত্রীর পরকীয়াকে দায়ী করে ১ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের তরুণ চিকিৎসক ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশ।

এ ঘটনায় আকাশের মা জমিরা খানম বাদী হয়ে মিতুসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। বাকি ৫ আসামি হল- মিতুর মা শামীম শেলী, বাবা আনিসুল হক, বোন সানজিলা হক চৌধুরী আলিশা, মিতুর বয়ফ্রেন্ড আমেরিকা প্রবাসী প্যাটেল ও ডা. মাহবুবুল আলম।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন মিতু। পুলিশ মিতুর দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখছে।

ডা. আকাশের আত্মহত্যা

আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ পুলিশের

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১১ মার্চ ২০১৯, ০৯:১৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ পুলিশের
স্ত্রীর সঙ্গে ডা. আকাশের ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছে পুলিশ।

এদিকে আকাশ ও তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে মুছে ফেলা ছবি, ভিডিও এবং এসএমএস পুনরুদ্ধারে মোবাইল সেট দুটি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া ডা. আকাশের মৃত্যুর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। চান্দগাঁও থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, ৬ আসামির মধ্যে শুধু মিতুকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিরা পলাতক। এর মধ্যে বেশিরভাগ আসামি আমেরিকায় অবস্থান করছে।

স্ত্রীর পরকীয়াকে দায়ী করে ১ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের তরুণ চিকিৎসক ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশ।

এ ঘটনায় আকাশের মা জমিরা খানম বাদী হয়ে মিতুসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। বাকি ৫ আসামি হল- মিতুর মা শামীম শেলী, বাবা আনিসুল হক, বোন সানজিলা হক চৌধুরী আলিশা, মিতুর বয়ফ্রেন্ড আমেরিকা প্রবাসী প্যাটেল ও ডা. মাহবুবুল আলম।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন মিতু। পুলিশ মিতুর দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখছে।