নেত্রকোনায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
নেত্রকোনায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:৫৪:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্ত্রী লাভলী আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী (পলাতক) ফারুক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলার লাভলীর শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে প্রধান আসামির অনুপস্থিতিতে নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক মিয়া নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কালডোয়ার গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। ফারুক মিয়া পলাতক রয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে প্রকাশ, বিয়ের কয়েক মাস পার হতে না হতেই পারিবারিক কলহের জের ধরে বিগত ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোররাতে ফারুক মিয়া তার স্ত্রী লাভলী আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। রাতেই লাশ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে লাভলী আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালায়।

পরদিন সকালে খবর পেয়ে লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন পুলিশ নিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে নিহত লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২ সেপ্টেম্বর জামাতা ফারুক ও তার মা মাজেদা বেগমসহ মোট ৫ জনকে আসামি করে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই ফারুক মিয়া ও তার মা মাজেদার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

নেত্রকোনায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
১৩ মার্চ ২০১৯, ০৫:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় স্ত্রী লাভলী আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী (পলাতক) ফারুক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলার লাভলীর শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে প্রধান আসামির অনুপস্থিতিতে নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক মিয়া নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কালডোয়ার গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। ফারুক মিয়া পলাতক রয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে প্রকাশ, বিয়ের কয়েক মাস পার হতে না হতেই পারিবারিক কলহের জের ধরে বিগত ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোররাতে ফারুক মিয়া তার স্ত্রী লাভলী আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। রাতেই লাশ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে লাভলী আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালায়।

পরদিন সকালে খবর পেয়ে লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন পুলিশ নিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে নিহত লাভলীর বাবা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২ সেপ্টেম্বর জামাতা ফারুক ও তার মা মাজেদা বেগমসহ মোট ৫ জনকে আসামি করে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই ফারুক মিয়া ও তার মা মাজেদার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন