পদ্মা সেতুতে বসছে নবম স্প্যান

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ মার্চ ২০১৯, ১৫:৪১:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা সেতুর স্প্যান। ফাইল ছবি

দু’একদিনের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ৩৪ ও ৩৫ নম্বর পিলারের ওপর বসছে নবম স্প্যান। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে নবম স্প্যানটি ক্রেন লাইনের মাধ্যমে বের করে মাওয়া প্রান্তের স্টক ইয়ার্ডের জেটিতে রাখা হয়েছে।

আগামীকাল বুধবার মাওয়া প্রান্তের কুমারভোগ স্টক ইয়ার্ডের জেটি থেকে ক্রেনবাহী জাহাজ ‘তিয়ান-ই’ ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ‘৬-ডি’ নম্বর নবম স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে খুঁটির উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

এর মাধ্যমে জাজিরা অংশে সেতুটি দৃশ্যমান হবে ১২০০ মিটার।

পদ্মা সেতুর দায়িত্বশীল নির্বাহী প্রকৌশলীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতুর ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় সপ্তম স্প্যানটি।

সপ্তম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর কাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সপ্তম স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে সেতুর ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেতুর প্রথম স্প্যান, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যান, ১০ মার্চ তৃতীয় স্প্যান, ১৩ এপ্রিল চতুর্থ স্প্যান, ২৯ জুন পঞ্চম স্প্যান বসানো হয়। এবং গত ২৩ জানুয়ারি ষষ্ঠ স্প্যানটি বসানো হয়।

এ ছাড়া মাওয়া পয়েন্টের দিকে গত বছরে আরও একটি স্প্যান ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে।

ওই স্প্যানটি তৈরি করা হয়েছিল ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের ওপর বসানোর জন্য। নকশা জটিলতা ও পিলার তৈরি না হওয়ায় এবং ওয়ার্কশপে জায়গা না থাকায় অস্থায়ীভাবে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারে তুলে রাখা হয় স্প্যানটি।

নকশা জটিলতা কেটে যাওয়ায় ৬ ও ৭ নম্বর পিলার তৈরি হলে স্প্যানটি সেখানে সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, চলতি বছরের মধ্যে সবকটি স্প্যান বসিয়ে সেতুটি দৃশ্যমাণ করে তুলব।

ঘটনাপ্রবাহ : পদ্মা সেতু নির্মাণ

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত