ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট হচ্ছে আখাউড়া স্থলবন্দর

  আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ২২ মার্চ ২০১৯, ২২:১০ | অনলাইন সংস্করণ

আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তপন কুমার চক্রবর্তী
আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তপন কুমার চক্রবর্তী

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তপন কুমার চক্রবর্তী বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরকে অচিরেই আধুনিকায়ন করা হবে। আখাউড়া স্থলবন্দরে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট স্থাপন করা হবে। ফলে একই ছাদের নিচে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনসহ সব ধরনের সেবা পাবেন পাসপোর্টধারী যাত্রী ও বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার বিকালে আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে যুগান্তরকে তিনি এসব কথা জানান।

তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, সম্প্রতি আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর সীমান্তপথে যাত্রীর চাপ বেড়ে গেছে। যাত্রীদের সেবার মান চিন্তা করে স্থলবন্দর এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়নসহ ব্যাংক বুথ, প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল স্থাপন করা হচ্ছে। যা শিগগিরই বন্দরে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে। পাসপোর্টধারী যাত্রীদের সেবার মানও অনেক ভালো হয়েছে।

তিনি বলেন, আখাউড়া স্থলবন্দরে প্রায় ১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ বন্দরে প্রশাসনিক ভবন, প্যাসেঞ্জার ও পণ্য টার্মিনাল, ওয়্যারহাউস, ওপেন ইয়ার্ড, ট্রাক টার্মিনাল ও পার্কিং ইয়ার্ড, ক্যান্টিনসহ সব কিছু একই ছাদের নিচে বা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের ভেতর থাকবে। যা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করছেন।

তপন কুমার চক্রবর্তী আখাউড়া কাস্টমস্, ইমিগ্রেশন, নোম্যান্সল্যান্ড ও স্থলবন্দর এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে তিনি আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শামসুজ্জামান, আখাউড়া স্থলবন্দর উপপরিচালক (ট্রাফিক) মো. আমিনুল ইসলাম, উপসহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, স্থলবন্দর পরিদর্শক (ট্রাফিক) আবদুল কাদের জিলানী, কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট শান্তি বর্মণ চাকমা, আখাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মহিউদ্দিন মিশু প্রমুখ।

আখাউড়া স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে স্থবিরতা বিরাজ করছে কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, স্থলবন্দরগুলোয় ব্যবসা-বাণিজ্য একটা পর্যায়ে রয়েছে, তবে তা আরও বাড়ানো দরকার। তাই বন্দরগুলোর অবস্থা তুলে ধরে কিছু সুপারিশ নৌ-মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সব বন্দর দিয়ে সব পণ্য আমদানির অনুমতি নেই। এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে কোন বন্দর দিয়ে কী পণ্য আমদানি করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। এটা অশুল্ক বাধার মতো। ব্যবসায়ীরা কোন বন্দর ব্যবহার করে পণ্য আমদানি করবে, সেটা তাদের ব্যাপার। এ ধরনের রেগুলেশন ব্যবসা নিরুৎসাহিত করে। ব্যবসা সূচকে উন্নতি করতে চাইলে এ ধরনের বাধা দূর করতে হবে। এতে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে সহজ হবে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে গতিশীলতা আসবে।

তপন কুমার চক্রবর্তী আরও বলেন, দেশের ২৩টি স্থলবন্দরের সবকটিতেই কম বেশি অবকাঠামোগত ও শুল্কায়ন সমস্যাসহ স্থবিরতা রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি বন্দর সচল, বাকি ১১টিতে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি।

স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থলবন্দর হিসেবে আখাউড়া-আগরতলা বন্দর ভারতের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্কের অগ্রগতির মেলবন্ধন। সুতরাং আখাউড়া স্থলবন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি করাসহ সব সমস্যা দ্রুত সমাধান করে আমদানি রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা আনা হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×