উৎসবহীন ভোটকেন্দ্র, পেঁয়াজু বিক্রেতার দুঃখ!

  মেহেরপুর প্রতিনিধি ২৪ মার্চ ২০১৯, ২০:০০ | অনলাইন সংস্করণ

ভোটকেন্দ্রের সামনে পসরা সাজিয়ে বসেন পেঁয়াজু বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম
ভোটকেন্দ্রের সামনে পসরা সাজিয়ে বসেন পেঁয়াজু বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উৎসব না থাকায় পেঁয়াজু বিক্রেতা, আইসক্রিম বিক্রেতাদের মতো অনেক অস্থায়ী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দুঃখের শেষ নেই। বাড়তি বিক্রি ও লাভের আশায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে পসরা নিয়ে বসেন।

কিন্তু এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও উৎসবের আমেজ নেই। এ জন্য অনেক বিক্রেতা অতিরিক্ত পসরা নিয়ে বসলেও নেই কোনো বেঁচাকেনা। ফলে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। আর এ চিত্র দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে।

মেহেরপুর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে এসব ভ্রাম্যমান বিক্রেতারা ভোটকেন্দ্রে উৎসব না থাকায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

গোপালপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম পেশায় পেঁয়াজু বিক্রেতা। তাকে দেখা গেল পেঁয়াজু তৈরির চুলা বন্ধ করে অন্য কাজে ব্যস্ত। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, তিনি প্রতিদিন গ্রামের বাজারে অন্তত ৪০ কেজি পেঁয়াজু বিক্রি করেন। আগে উপজেলা নির্বাচনে গ্রামের ভোটকেন্দ্রে দুইমন পেঁয়াজু বিক্রি হতো। সে আশায় পেঁয়াজু তৈরির সামগ্রী কেনা কাটা করেন। অথচ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রতিদিনের বিক্রির চেয়ে অর্ধেকও বিক্রি হয়নি।

একইভাবে দুঃখ প্রকাশ করলেন আইসক্রিম বিক্রেতা রফিকুল আলী। তিনি জানান, ভোটের দিন বেশি বিক্রির আশায় এক হাজার আইসক্রিম তৈরি করেছেন। কিন্তু তাপদাহেও ভোটকেন্দ্রে আইসক্রিমের ক্রেতা আসছে না। ভোটারের উপস্থিতি কম থাকার কারণেই এমনটা বলে তারা জানান।

ঘটনাপ্রবাহ : উপজেলা নির্বাচন ২০১৯

আরও
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×