কিশোরগঞ্জে থানায় ছাত্রলীগ নেতাকে নির্যাতন, উত্তাল কিশোরগঞ্জ
jugantor
কিশোরগঞ্জে থানায় ছাত্রলীগ নেতাকে নির্যাতন, উত্তাল কিশোরগঞ্জ

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২৫ মার্চ ২০১৯, ২০:৫০:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় উত্তাল কিশোরগঞ্জ
থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় উত্তাল কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ মডেল থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার গল্প সাজিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়ার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এ নির্যাতনের বিচার দাবিতে বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

রোববার রাত থেকে থানার সামনে চলছে মিছিল-বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি। সোমবার সকালেও কর্মসূচিতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শত শত লোক অংশ নেয়।

আযহারুল হক তমাল যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বাবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে থানার সামনে থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয় বিচারপ্রার্থীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সুপার এসে উপযুক্ত বিচার ও তদন্তের আশ্বাস দিয়ে বিক্ষোভকারী বিচারপ্রার্থীদের শান্ত করেন।

জানা গেছে, রোববার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলাকালে বিকাল ৪টার দিকে কিশোরগঞ্জ টেক্সটাইল মিল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যান তমাল। তখন সময় শেষ হয়ে গেছে বলে জানায় ভোটগ্রহণকারীরা।

তমাল একপর্যায়ে দায়িত্বরত ভ্রাম্যমাণ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উবায়দা খানমের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে পুলিশ হেফাজতে দেন। পুলিশ তাকে সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়ার পর রাত ১০টার দিকে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

ছাত্রলীগ নেতা তমালের বাবা কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, থানা হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে পুলিশ। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এ সময় তাকে শিখিয়ে দেয়া হয়, জরুরি বিভাগে এন্ট্রির সময় যেন সে মোটরবাইক দুর্ঘটনার কথা বলে।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান,এ ঘটনায় জড়িতকে ইতিমধ্যেই ক্লোজড করা হয়েছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে অপরাধীকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হবে।

কিশোরগঞ্জে থানায় ছাত্রলীগ নেতাকে নির্যাতন, উত্তাল কিশোরগঞ্জ

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২৫ মার্চ ২০১৯, ০৮:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় উত্তাল কিশোরগঞ্জ
থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় উত্তাল কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ মডেল থানা হেফাজতে ছাত্রলীগ নেতা আযহারুল হক তমালকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার গল্প সাজিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়ার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এ নির্যাতনের বিচার দাবিতে বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

রোববার রাত থেকে থানার সামনে চলছে মিছিল-বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি। সোমবার সকালেও কর্মসূচিতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শত শত লোক অংশ নেয়।

আযহারুল হক তমাল যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বাবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে থানার সামনে থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয় বিচারপ্রার্থীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সুপার এসে উপযুক্ত বিচার ও তদন্তের আশ্বাস দিয়ে বিক্ষোভকারী বিচারপ্রার্থীদের শান্ত করেন।

জানা গেছে, রোববার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলাকালে বিকাল ৪টার দিকে কিশোরগঞ্জ টেক্সটাইল মিল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যান তমাল। তখন সময় শেষ হয়ে গেছে বলে জানায় ভোটগ্রহণকারীরা।

তমাল একপর্যায়ে দায়িত্বরত ভ্রাম্যমাণ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উবায়দা খানমের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে পুলিশ হেফাজতে দেন। পুলিশ তাকে সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়ার পর রাত ১০টার দিকে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

ছাত্রলীগ নেতা তমালের বাবা কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, থানা হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে পুলিশ। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এ সময় তাকে শিখিয়ে দেয়া হয়, জরুরি বিভাগে এন্ট্রির সময় যেন সে মোটরবাইক দুর্ঘটনার কথা বলে।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান,এ ঘটনায় জড়িতকে ইতিমধ্যেই ক্লোজড করা হয়েছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে অপরাধীকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হবে।