মাগুরায় হাতুড়ি পেটানো সেই অধ্যক্ষের মৃত্যু

  মাগুরা প্রতিনিধি ২৫ মার্চ ২০১৯, ২২:১০ | অনলাইন সংস্করণ

নিহত অধ্যক্ষের স্বজনদের আহাজারি।
নিহত অধ্যক্ষের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: যুগান্তর

মাগুরার মহম্মদপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত অধ্যক্ষ আবদুর রউফ (৪০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকালে মারা গেছেন।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।আবদুর রউফ মহম্মদপুর উপজেলার হাজী মোসলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া সম্মিলনী ইসলামী আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

গত ২১ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে তার ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এ ঘটনা নিয়ে পরদিন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

নিহতের পরিবারের দাবি, কলেজের গাছ জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার কারণে বালিদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাননু মিয়ার নামে কলেজের পক্ষ থেকে আবদুর রউফ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

যে মামলার কারণে অন্তত তিনবার তার ওপর হামলা করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে বড়রিয়া গ্রামের মধ্যে আবদুর রউফের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরে সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ছোট ভাই আবদুল ওয়াহাব মিলন বলেন, মামলা করার অপরাধে এইদিন চেয়ারম্যান পাননু মিয়া ভাইয়ের কাছে ১ লাখ টাকা চেয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। শেষ পর্যন্ত তার প্রাণ নিয়ে নিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এদিকে নিহত অধ্যক্ষ আবদুর রউফের মৃত্যুর বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মশিউর রহমান বলেন, তার শারীরিক অবস্থা এতটা খারাপ ছিল না।

কিন্তু বিকাল চারটার দিকে হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর পর হাসপাতালে উপস্থিত সদর থানার এসআই পারভেজ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পাননু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পুরো বিষয়টি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি সেই সময় হরেকৃষ্ণপুর এলাকায় নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত ছিলাম। অযথা এ ঘটনায় আমার নাম জড়ানো হচ্ছে।

অন্যদিকে মহম্মদপুর থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×