শেরপুরে সবার নজর কেড়েছে বেগুনি রঙের ধান

  শেরপুর প্রতিনিধি ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ২৩:০৫ | অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরে বেগুনি রঙের ধান দেখছে এক শিশু
শেরপুরে বেগুনি রঙের ধান দেখছে এক শিশু

শেরপুরের নকলা উপজেলার বারইকান্দি গ্রামের কৃষক শামছুর রহমান আবুল এক বিঘা জমিতে ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ভেদীকূড়া গ্রামের শাহিনুর আলম ৫ শতাংশ জমিতে বেগুনি রঙের ধান চাষ করেছেন। তাদের ক্ষেতের ধান সবার নজর কেড়েছে।

এটি এমন একটি ধানের জাত যার পাতা ও কাণ্ডের রং বেগুনি। শুধু ধান গাছ নয়, চালের রং বেগুনি বলে জানিয়েছেন চাষিরা। তাই কৃষকদের কাছে এখনও পর্যন্ত এ ধানের পরিচিতি বেগুনি রঙের ধান বা পার্পল পেডি হিসেবে।

পরীক্ষামূলক এ ধান চাষে আবুল ও শাহিনুরকে স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত সার্বিক পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া ধান ক্ষেত বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

চলতি বোরো মৌসুমে কুমিল্লা থেকে ১০ কেজি বেগুনি রঙের ধানবীজ এনে জমিতে আবাদ করা হয়েছে। এ ধান রোপণ থেকে পাকতে সময় লাগে ১৪৫ থেকে ১৫৫ দিন।

কৃষক শামছুর রহমান আবুল ও শাহিনুর আলম জানান, গত বছর পত্রিকার একটি খবরে এ ধানের খোঁজ তারা জানতে পারেন। পরে নকলা ও নালিতাবাড়ী অফিসে যোগাযোগ করলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় চলতি বোরো মৌসুমে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষক মঞ্জুরুলের কাছ থেকে ১০ কেজি বেগুনি রঙের ধানবীজ এনে জমিতে আবাদ করেন।

ক্ষেতে ধান গাছের বর্তমান অবস্থা দেখে চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, অন্যান্য ধানের তুলনায় ফলন ভালো হবে। নজরকাড়া বেগুনি রঙের এ ধানে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলছে।

নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, বেগুনি রঙের ধান চাষিকে সব ধরনের পরামর্শসহ নিয়মিত ধানক্ষেতটি তদারকি করা হচ্ছে। ফলন ভালো হলে এর বিস্তার ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য কৃষকরাও বেগুনি রঙের এ ধান সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরীফ ইকবাল বলেন, এলাকায় এই বেগুনি জাতের ধান নতুন। তাই কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। চলতি বোরো মৌসুমে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হয়েছে। ফসল কাটার পর এর পুষ্টিগুণ যাচাই করে আগামীতে কৃষকদের মধ্যে এর বিস্তার ঘটানো হবে।

শেরপুর খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘বেগুনি রঙের এই ধান বিদেশি নয়। এটা আমাদের দেশি জাতের ধান। আগে অন্যান্য জেলায় চাষ হয়েছে, এবার শেরপুরে আবাদ হচ্ছে। ফলন ভালো হলে উৎপাদিত ধানগুলো বীজ আকারে রাখা হবে। ধানক্ষেতগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এর ফলন কী রকম হবে, তা জানতে ধান কাটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে তিনি জানান।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×