আশুগঞ্জ আ’লীগের ১০ নেতাকে বহিষ্কার চেয়ে কেন্দ্রে চিঠি

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আ’লীগের ১০ নেতাকে বহিষ্কার চেয়ে কেন্দ্রে চিঠি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. হানিফ মুন্সি ও নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করায় ১০ নেতার বহিষ্কার চেয়ে কেন্দ্রে চিঠে পাঠিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

বুধবার বিকালে আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হাজী মো. ছফিউল্লাহ মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সী, যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মো. খুরশীদ আলম স্বাক্ষরিত চিঠি কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

গত ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. হানিফ মুন্সি ও  নৌকা প্রতীকের প্রকাশ্যে বিরোধিতা, দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর, নৌকার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর, প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদের মিথ্যা বাণীসংবলিত লিফলেট ছাপানোর অভিযোগে এ ১০ নেতাকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

যাদের বিরুদ্ধে চিঠি পাঠানো হয়েছে তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মঈন উদ্দিন মইন, আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু নাছের আহাম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আনিছুর রহমান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য ও তালশহর ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা মিয়া, সদস্য মোবারক আলী চৌধুরী, সদস্য ও আশুগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন, সদস্য ও দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল করিম সাজু, সদস্য ও শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাফি চৌধুরী, লালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোর্শেদ মাস্টার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আমির হোসেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সব সদস্যের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে উল্লেখিত ১০ আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কারের সুপারিশ করার জন্য রেজ্যুলেশন আকারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হাজী মো. ছফিউল্লাহ মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, অভিযুক্ত ১০ নেতা ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগের কোনো নির্বাচন করে নাই। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর সরাসরি বিরোধিতা করেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।