তাহিরপুর-দোয়ারাবাজার

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২ শতাধিক ঘরের উড়ে গেল চালা

  যুগান্তর রিপোর্টার, তাহিরপুর ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২ শতাধিক ঘরের উড়ে গেল চালা
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে তাহিরপুর-দোয়ারাবাজার ২ শতাধিক ঘরে বিধ্বস্ত। ছবি: যুগান্তর

সুনামগঞ্জের সীমান্ত উপজেলা তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজারে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কমপক্ষে দুই শতাধিক বসতঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে।

বুধবার ঝড়ের তাণ্ডবে দোয়ারাবাজারের প্রত্যন্ত এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বসতঘরের চালা বিধ্বস্ত হয়েছে। এমনকি উড়েও গেছে শতাধিক ঘরবাড়ির টিনের চালা।

কালবৈশাখীতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজন জানান, সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলার বুধবার ভোররাতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলা সদর ইউনিয়নের লামাসানিয়া, দলেরগাঁও, বীরসিংহ, টেবলাই, বাঘরা, বড়বন, নৈনগাঁও, বাজিতপুর, মাঝেরগাঁও, মুরাদপুর, সুরমা ইউনিয়নের নুরপুর, শরীফপুর, ভুজনা, সোনাপুর, আলীপুর, টেংরাটিলা, টিলাগাঁও, মহব্বতপুর, কাওয়াঘর, মামুনপুর, খাগুড়া, দোহালিয়া ইউনিয়নের প্রতাপপুর, রাজনপুর, চৌমুহনা পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের পান্ডারগাঁও এবং শ্রীপুরসহ মান্নারগাঁও, লক্ষ্মীপুর, নরসিংপুর, বোগলাবাজার, বাংলাবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অসংখ্য দুই চালা টিনের বসতঘর উড়ে গেছে।

বুধবার সন্ধায় দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে জেলার তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বাদাঘাট উত্তর, বড়দল উত্তর ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্ত লাগোয়া অর্ধশতাধিক গ্রামের ওপর দিয়ে মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীতে আরও শতাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওইসব এলাকায় ঝড়ের সঙ্গে ধেয়ে আসা শিলাবৃষ্টিতে কয়েকশ’হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলার বারেকটিলার বাসিন্দা শিমুল দিও জানান, ঝাড়ের কবলে বারেকটিলা, বড়গোপ টিলা, কড়ইগড়া ও রাজাই এলাকার অর্ধশতাধিক বসতঘরের চালা ও বেড়া উড়ে গেছে। এ ছাড়া ঝড়ের সঙ্গে পড়া শিলাবৃষ্টিতে গাছপালার আম, কাঁঠাল, লিচু ও ফসলি জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

বুধবার রাতে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা) সমীর বিশ্বাস জানান, সরেজমিন খোঁজখবর নিয়ে ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×