শিবিরের গোপন বৈঠকে হানা, বোমাসহ ২৩ নেতাকর্মী আটক
jugantor
শিবিরের গোপন বৈঠকে হানা, বোমাসহ ২৩ নেতাকর্মী আটক

  মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২২:২৪:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপন বৈঠক থেকে বোমাসহ ছাত্রশিবিরের ২৩ নেতাকর্মী আটক

যশোর জেলা ছাত্রশিবিরের নেতা, কলেজশিক্ষকসহ শিবিরের বিভিন্ন স্তরের ২৩ নেতাকর্মীকে ৪টি বোমা, সাংগঠনিক বই ও একটি ব্যানারসহ আটক করেছে করেছে পুলিশ।

শুক্রবার যশোরের মনিরামপুরের হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গোপন বৈঠককালে পুলিশ তাদের আটক করে।

সংগঠনের নেতাদের দাবি ‘বাছাইকৃত সাথী শিক্ষা শিবির ১৯’ চলছিল।

আটককৃতরা হলেন যশোর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ব শাখা প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল্লাহ, খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর কলেজের প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, যশোর মশিউর রহমান আইন মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র শামীম হোসেন, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের হাবিব হাসান (১৫), ভাল্লুকঘর গ্রামের বিল্লাল হোসেন (১৯), মির্জানগর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (২৫), মণিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা গ্রামের রাসেল কবির (১৭), হানুয়ার গ্রামের এনামুল (১৮), খালিয়া গ্রামের আবু মুছা (১৯), শ্যামকুড় গ্রামের আহাদ (২৭), নোয়ালী গ্রামের সাজিম হোসেন (১৫), নেংগুড়াহাট গ্রামের ইয়াছিন আরাফাত (১৬), শাহপুর গ্রামের নাজমুস সাকিব (১৮), খেদাপাড়ার গোলাম আযম (২১), গালদা গ্রামের খালিদুর রহমান (২০), পারখাজুরা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২১), রোহিতার মাহাফুজ (১৯), হাজরাকাটি গ্রামের মেহেদী (২০) ও বাপ্পি হোসেন (১৮), রত্নেশ্বরপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম (১৮) ও ইস্রাফিল হোসেন (১৭) এবং মদনপুর গ্রামের মাছুম বিল্লাহ (২৬)।

স্থানীয় হায়াতপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি মূলত স্থানীয় জামায়াত নেতা সহকারী অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীর পরিচালনা করেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কেশবপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিবির নেতাকর্মীরা এসে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ২৩ জনকে আটক করেছে বলে জানতে পেরেছি।

এদিকে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা লিয়াকত হোসেন দাবি করেন, রমজানের পবিত্রতা নিয়ে করণীয় নির্ধারণে প্রতিবছরই ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজর করে। শুক্রবার সকালে হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আলোচনা সভা চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম এনামুল হক বলেন, চালুয়াহাটির হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিবিরের বৈঠক চলছে এমন খবরে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যান্যরা পালিয়ে গেলেও ২৩ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি বোমা, একটি ব্যানার ও সংগঠনের কিছু বইপুস্তক উদ্ধার করা হয়েছে।

শিবিরের গোপন বৈঠকে হানা, বোমাসহ ২৩ নেতাকর্মী আটক

 মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গোপন বৈঠক থেকে বোমাসহ ছাত্রশিবিরের ২৩ নেতাকর্মী আটক
গোপন বৈঠক থেকে বোমাসহ ছাত্রশিবিরের ২৩ নেতাকর্মী আটক

যশোর জেলা ছাত্রশিবিরের নেতা, কলেজশিক্ষকসহ শিবিরের বিভিন্ন স্তরের ২৩ নেতাকর্মীকে ৪টি বোমা, সাংগঠনিক বই ও একটি ব্যানারসহ আটক করেছে করেছে পুলিশ।

শুক্রবার যশোরের মনিরামপুরের হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গোপন বৈঠককালে পুলিশ তাদের আটক করে।

সংগঠনের নেতাদের দাবি ‘বাছাইকৃত সাথী শিক্ষা শিবির ১৯’ চলছিল।

আটককৃতরা হলেন যশোর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ব শাখা প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল্লাহ, খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর কলেজের প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, যশোর মশিউর রহমান আইন মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র শামীম হোসেন, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের হাবিব হাসান (১৫), ভাল্লুকঘর গ্রামের বিল্লাল হোসেন (১৯), মির্জানগর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (২৫), মণিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা গ্রামের রাসেল কবির (১৭), হানুয়ার গ্রামের এনামুল (১৮), খালিয়া গ্রামের আবু মুছা (১৯), শ্যামকুড় গ্রামের আহাদ (২৭), নোয়ালী গ্রামের সাজিম হোসেন (১৫), নেংগুড়াহাট গ্রামের ইয়াছিন আরাফাত (১৬), শাহপুর গ্রামের নাজমুস সাকিব (১৮), খেদাপাড়ার গোলাম আযম (২১), গালদা গ্রামের খালিদুর রহমান (২০), পারখাজুরা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২১), রোহিতার মাহাফুজ (১৯), হাজরাকাটি গ্রামের মেহেদী (২০) ও বাপ্পি হোসেন (১৮), রত্নেশ্বরপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম (১৮) ও ইস্রাফিল হোসেন (১৭) এবং মদনপুর গ্রামের মাছুম বিল্লাহ (২৬)।

স্থানীয় হায়াতপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি মূলত স্থানীয় জামায়াত নেতা সহকারী অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীর পরিচালনা করেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কেশবপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিবির নেতাকর্মীরা এসে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ২৩ জনকে আটক করেছে বলে জানতে পেরেছি।
 
এদিকে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা লিয়াকত হোসেন দাবি করেন, রমজানের পবিত্রতা নিয়ে করণীয় নির্ধারণে প্রতিবছরই ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজর করে। শুক্রবার সকালে হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আলোচনা সভা চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম এনামুল হক বলেন, চালুয়াহাটির হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিবিরের বৈঠক চলছে এমন খবরে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যান্যরা পালিয়ে গেলেও ২৩ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি বোমা, একটি ব্যানার ও সংগঠনের কিছু বইপুস্তক উদ্ধার করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন