খাদ্যের সন্ধানে বাংলাদেশে ভারতীয় অজগর, অতঃপর...

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর ০২ মে ২০১৯, ১৫:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের সীমান্তের ওপার থেকে লোকালয়ে আসা একটি অজগর সাপ জীবিত ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে একদল লোক। ছবি-যুগান্তর
সুনামগঞ্জের সীমান্তের ওপার থেকে লোকালয়ে আসা একটি অজগর সাপ জীবিত ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে একদল লোক। ছবি-যুগান্তর

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তের ওপার থেকে লোকালয়ে আসা একটি অজগর সাপ জীবিত ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে একদল লোক। তার পর মৃত অজগরটি বিক্রি করে টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যায় মৃত অজগরটিকে ভারতীয় নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর লোকজনের কাছে গোপনে কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলার সীমান্তবর্তী বীরেন্দ্রনগর ও সুন্দরবন গ্রামের লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানান, তাহিরপুরের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সুন্দরবন গ্রামে ওপারের ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে খাদ্যের সন্ধানে আসা একটি অজগর সাপকে প্রথমে বুধবার দুপুরে গ্রামের একদল লোক কৌশলে জীবিত অবস্থায় ধরে ফেলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজগরটি লম্বায় প্রায় সাড়ে ২২ ফুট (১৫ হাত)। ওজনে প্রায় ৫০ কেজি হবে।

জানা গেছে, ওই গ্রামের বুডো খাঁর ছেলে হাছেন খাঁ ও আবদুর রহিমের ছেলে আজিজুলের নেতৃত্বে অজগরটিকে পিটিয়ে মারা হয়।

একপর্যায়ে আজিজুল ও হাছেন খাঁ সীমান্তের ওপারে থাকা ভারতীয় নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর লোকজনকে খবর দিয়ে নিয়ে আসেন। এর পর মৃত অজগরটি ওই দিন সন্ধ্যায় কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়ে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ করে নেন।

বৃহস্পতিবার উপজেলার সুন্দরবন গ্রামের আজিজুলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিসহ গ্রামের বেশ কয়েকজন মিলে জীবিত অবস্থায় অজগর সাপটিকে আটকের পর মেরে ফেলার কথা স্বীকার করেন।

সাপ বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতের গারো সম্প্রদায়ের লোকজন এসে খাওয়ার জন্য মৃত অজগরটিকে নিয়ে গেছেন। তবে আমরা কোনো টাকা রাখিনি।

সুনামগঞ্জ বন বিভাগের তাহিরপুরের ধলইরগাঁও বিট কর্মকর্তা বীরেন্দ্র কিশোর রায় জানান, খবর পেয়ে অজগরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য বিট অফিস থেকে লোক পাঠালে গ্রামের কয়েকজন লোক জানান, সাপটিকে পিটিয়ে মারার পর নাকি ভারতীয় গারো সম্প্রদায়ের লোকজনকে খাওয়ার জন্য দিয়ে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা অজগরটি জীবিত ধরার পর ফের পিটিয়ে মেরেছে, তারা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী কাজ করেছেন।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×