ভোলায় ৭০ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন ২১ হাজার মানুষ

  ভোলা প্রতিনিধি ০৩ মে ২০১৯, ১৫:৪৯ | অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ৭০ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন ২১ হাজার মানুষ
ভোলায় ৭০ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন ২১ হাজার মানুষ

ভোলা জেলার সাত উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফনির আঘাতের আশঙ্কায় শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চরাঞ্চল থেকে ২১ হাজার ৬০ জনকে ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে এনে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৬৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুত প্রোগ্রামের সিপিপির উপপরিচালক মো. শাহজাহান মিয়া।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, মধ্য মেঘনা ও সাগর মোহনার ২১টি চর থেকে ৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে আনার জন্য ভোর থেকে কাজ করা হচ্ছে।

তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত কুমার দাস জানান, চরমুজাম্মেলে ১০ হাজার মানুষের বসবাস হলেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে রয়েছে একটি প্রাইমারি স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার। ওইখানেই সাবইকে নেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে কিছু লোককে সকালে মূল ভূখণ্ডে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে মানুষ দুর্যোগ শুরু না হওয়ায় ঘরবাড়ি ছেড়ে আসতে চাইছে না। কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার।

সকাল থেকে দফায় দফা বৃষ্টি হচ্ছে। ১৫-২০ মিনিট করে বৃষ্টি হওয়ার পর ফের রোদ ওঠে। জেলায় সাত নম্বর সংকেত বলবৎ রয়েছে।

ভোলায় সকাল পৌনে ৯টায় এক পশলা গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থাকে। ফের সকাল সাড়ে ১০টায়, এর পর দুপুর ১২টায় অঝোরে বৃষ্টি হয়। উত্তাল হচ্ছে মেঘনা ও সাগর মোহনা।

জেলা প্রশাসক আঘাতহানার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় সকাল থেকে মাঝেরচর, মদনপুরচর, নেয়ামতপুরচর, চরমুজাম্মেল, চরজহিরউদ্দিন, লতারচর, কলাতলিচর, চরনিজাম, চরশাহজালাল, ঢালচর, কাজীরচরসহ এমন ২১টি চরকে চিহ্নিত করে যেখানে পাঁচ লাখ মানুষ বাস করে তাদের দুপুরের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য কোস্টগার্ড অভিযান শুরু করেছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

তিনি জানান, ৬৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আবহাওয়া খুব একটা খারাপ না হওয়ায় চরের মানুষরা ঘরবাড়ি ছাড়তে চাচ্ছে না। তবে ওই সব অঞ্চলে পুলিশ কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চাপ সৃষ্টি করছেন। সকালে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ আশ্রয় নেয় বলে জানান জেলা প্রশাসক।

রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও সিপিপি সদস্যরা নদী এলাকায় মাইকিং অব্যাহত রেখে সবাইকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন। সকালে ধনিয়া, তুলাতলি, মদনপুরচর শেষ করে সকালে রাজাপুর ও ইলিশা এলাকায় রেডক্রিসেন্ট সদস্যদের প্রচারণা চালাতে দেখা যায়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×