বগুড়ার আখক্ষেতে কাকি-ভাতিজার আত্মহত্যার নেপথ্যে...
jugantor
বগুড়ার আখক্ষেতে কাকি-ভাতিজার আত্মহত্যার নেপথ্যে...

  বগুড়া ব্যুরো  

২০ মে ২০১৯, ১৬:৫৬:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জের গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামে পরকীয়ার সম্পর্ক জানাজানি হওয়া এবং স্বজনরা শাসন করায় প্রতিবেশী কাকি-ভাতিজা গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার গভীর রাতে বাড়ির কাছে আখক্ষেতে বিষপানের পর হাসপাতালে নেয়ার পথে তারা মারা যান।

সোমবার সকালে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতার মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামের সুবন্ধু দাসের স্ত্রী চৈতী রাণী দাস (২৭) ও প্রতিবেশি অমল চন্দ্র দাসের ছেলে কনক চন্দ্র দাস (২০)।

পুলিশ জানায়, দিনমজুর অবিবাহিত কনক চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার প্রতিবেশী কাকি দুই সন্তানের মা চৈতী রাণীর পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কে তারা কাকি ও ভাতিজা হওয়ায় তাদের মেলামেশা নিয়ে কেউ সন্দেহ করেননি। দুদিন আগে তাদের পরকীয়ার সম্পর্কের কথা ফাঁস হয়ে যায়। উভয়ের পরিবার থেকে তাদের শাসন করা হয়। লোকলজ্জা ও দু:খে তারা সহমরণের সিদ্ধান্ত নেন।

সে মোতাবেক রোববার রাত ২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি আখক্ষেতে তারা বিষ ট্যাবলেট সেবন করেন। কনকের মামা অমল চন্দ্র টের পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেন। তাদের উদ্ধার করে গ্রামের চিকিৎসকের কাছে নেয়। এরপর রাত ৩টার দিকে দুজনকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, পরকীয়ার কথা জানাজানি হলে লোকলজ্জায় তারা আত্মহত্যা করেছেন।

শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, পরকীয়ার সম্পর্ক জানাজানি হলে কাকি ও প্রতিবেশী ভাতিজা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কনকের মামাতো ভাই গৌতম চন্দ্র শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

এর আগে গত ১৪ মে সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার ভাগকোলা গ্রামে অনৈতিক কাজে বাধা দেয়ায় আপন মামী আলেয়া বেগমকে (৩৫) বাটাল দিয়ে আঘাতে হত্যার পর ভাগ্নে কাঠ মিস্ত্রি আপেল মিয়া (২২) নিজেই পেট কেটে আত্মহত্যা করেছেন।

বগুড়ার আখক্ষেতে কাকি-ভাতিজার আত্মহত্যার নেপথ্যে...

 বগুড়া ব্যুরো 
২০ মে ২০১৯, ০৪:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জের গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামে পরকীয়ার সম্পর্ক জানাজানি হওয়া এবং স্বজনরা শাসন করায় প্রতিবেশী কাকি-ভাতিজা গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার গভীর রাতে বাড়ির কাছে আখক্ষেতে বিষপানের পর হাসপাতালে নেয়ার পথে তারা মারা যান।

সোমবার সকালে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতার মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামের সুবন্ধু দাসের স্ত্রী চৈতী রাণী দাস (২৭) ও প্রতিবেশি অমল চন্দ্র দাসের ছেলে কনক চন্দ্র দাস (২০)।

পুলিশ জানায়, দিনমজুর অবিবাহিত কনক চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার প্রতিবেশী কাকি দুই সন্তানের মা চৈতী রাণীর পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কে তারা কাকি ও ভাতিজা হওয়ায় তাদের মেলামেশা নিয়ে কেউ সন্দেহ করেননি। দুদিন আগে তাদের পরকীয়ার সম্পর্কের কথা ফাঁস হয়ে যায়। উভয়ের পরিবার থেকে তাদের শাসন করা হয়। লোকলজ্জা ও দু:খে তারা সহমরণের সিদ্ধান্ত নেন।

সে মোতাবেক রোববার রাত ২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি আখক্ষেতে তারা বিষ ট্যাবলেট সেবন করেন। কনকের মামা অমল চন্দ্র টের পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেন। তাদের উদ্ধার করে গ্রামের চিকিৎসকের কাছে নেয়। এরপর রাত ৩টার দিকে দুজনকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, পরকীয়ার কথা জানাজানি হলে লোকলজ্জায় তারা আত্মহত্যা করেছেন।

শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, পরকীয়ার সম্পর্ক জানাজানি হলে কাকি ও প্রতিবেশী ভাতিজা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কনকের মামাতো ভাই গৌতম চন্দ্র শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

এর আগে গত ১৪ মে সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার ভাগকোলা গ্রামে অনৈতিক কাজে বাধা দেয়ায় আপন মামী আলেয়া বেগমকে (৩৫) বাটাল দিয়ে আঘাতে হত্যার পর ভাগ্নে কাঠ মিস্ত্রি আপেল মিয়া (২২) নিজেই পেট কেটে আত্মহত্যা করেছেন।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন