শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা
jugantor
শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

  পটুয়াখালী (দক্ষিণ) প্রতিনিধি  

১৪ জুন ২০১৯, ২২:০৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক।

শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া এক শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিলাল হোসেন।

বর্তমানে নবজাতক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু আই কেয়ার বিভাগের ইউনিট-১ চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু বিভাগের প্রধান ডাক্তার অসিম কুমার ওই শিশুটির চিকিৎসা করছেন।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার পূর্বকার্তিপাশা গ্রামের সোহরাব গাজী মরিচ ক্ষেতে একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে শিশুটিকে কুড়িয়ে পায় নুরজাহানের পরিবার। শিশুটিকে নিয়ে হতদরিদ্র পরিবারটি চিন্তায় ছিল।

সদ্য ভূমিষ্ট হওয়ার ফলে শিশুটির সারা শরীরে রক্ত মাখা ছিল। এ সময় শিশুটির শরীরে পিঁপড়ে মাখা ছিল।

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দুমকী থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।

পরে পটুয়াখালী হাসপাতালের শিশু বিভাগের ডা. সিদ্বার্থ শংকর শিশুটিকে দুইদিন চিকিৎসা দেয়ার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

নবজাতকের চিকিৎসার জন্য সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেয় পুলিশের এই এএসপি বিলাল হোসেন। তিনি শিশুটির চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার শেবাচিমের শিশু বিশেষজ্ঞ ও সহযোগী অধ্যাপক উত্তম কুমারের যুগান্তরকে বলেন, শিশুটির ওজন মাত্র সাড়ে ৯শ গ্রাম। অপরিপক্ক হওয়ার কারণে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। তবে অবস্থা একেবারে খারাপ নয়। শিশুটিকে সুস্থ করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। তবে শিশুটির বাবা-মায়ের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা

 পটুয়াখালী (দক্ষিণ) প্রতিনিধি 
১৪ জুন ২০১৯, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক।
শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক। ছবি যুগান্তর

শপিংব্যাগে কুড়িয়ে পাওয়া এক শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিলাল হোসেন। 

বর্তমানে নবজাতক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু আই কেয়ার বিভাগের ইউনিট-১ চিকিৎসাধীন রয়েছে।  শিশু বিভাগের প্রধান ডাক্তার অসিম কুমার ওই শিশুটির চিকিৎসা করছেন। 

এর আগে গত ৪ এপ্রিল পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার পূর্বকার্তিপাশা গ্রামের সোহরাব গাজী মরিচ ক্ষেতে একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে শিশুটিকে কুড়িয়ে পায় নুরজাহানের পরিবার।  শিশুটিকে নিয়ে হতদরিদ্র পরিবারটি চিন্তায় ছিল। 
 
সদ্য ভূমিষ্ট হওয়ার ফলে শিশুটির সারা শরীরে রক্ত মাখা ছিল।  এ সময় শিশুটির শরীরে পিঁপড়ে মাখা ছিল। 

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দুমকী থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।  

পরে পটুয়াখালী হাসপাতালের শিশু বিভাগের ডা. সিদ্বার্থ শংকর শিশুটিকে দুইদিন চিকিৎসা দেয়ার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।  

নবজাতকের চিকিৎসার জন্য সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেয় পুলিশের এই এএসপি বিলাল হোসেন।  তিনি শিশুটির চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার শেবাচিমের শিশু বিশেষজ্ঞ ও সহযোগী অধ্যাপক উত্তম কুমারের যুগান্তরকে বলেন,  শিশুটির ওজন মাত্র সাড়ে ৯শ গ্রাম।  অপরিপক্ক হওয়ার কারণে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে।  তবে অবস্থা একেবারে খারাপ নয়।  শিশুটিকে সুস্থ করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।  তবে শিশুটির বাবা-মায়ের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন