বড়লেখার সেই সেপটিক ট্যাংক সরানোর নির্দেশ
jugantor
বড়লেখার সেই সেপটিক ট্যাংক সরানোর নির্দেশ

  বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

১৭ জুন ২০১৯, ২২:২৪:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙ্গে নির্মাণ করা টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙ্গে নির্মাণ করা টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান।

সোমবার যুগান্তরের ১৭তম পৃষ্ঠায় ‘বড়লেখায় শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে সেপটিক ট্যাংক’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হলে সকালেই তিনি এ স্কুলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান।

এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, স্কুল কমিটির সভাপতি স্বপন চক্রবর্তী, প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মুছব্বির আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও শহীদ মিনারের একাংশ ভেঙে টয়লেটের ট্যাংক নির্মাণের ঘটনায় স্কুল কমিটির সভাপতির ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, ভবনের পেছনে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে নতুন একাডেমিক ভবনের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। এতে বিভিন্ন মহলে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, যুগান্তরের সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তাৎক্ষণিক তিনি স্কুলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সেপটিক ট্যাংক সরিয়ে ভবনের পেছনে নেয়ার এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন।

বড়লেখার সেই সেপটিক ট্যাংক সরানোর নির্দেশ

 বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
১৭ জুন ২০১৯, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙ্গে নির্মাণ করা টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান
শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙ্গে নির্মাণ করা টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান

মৌলভীবাজারের বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙ্গে নির্মাণ করা টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান।

সোমবার যুগান্তরের ১৭তম পৃষ্ঠায় ‘বড়লেখায় শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে সেপটিক ট্যাংক’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হলে সকালেই তিনি এ স্কুলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান।

এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, স্কুল কমিটির সভাপতি স্বপন চক্রবর্তী, প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মুছব্বির আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও শহীদ মিনারের একাংশ ভেঙে টয়লেটের ট্যাংক নির্মাণের ঘটনায় স্কুল কমিটির সভাপতির ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, ভবনের পেছনে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে নতুন একাডেমিক ভবনের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। এতে বিভিন্ন মহলে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, যুগান্তরের সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তাৎক্ষণিক তিনি স্কুলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সেপটিক ট্যাংক সরিয়ে ভবনের পেছনে নেয়ার এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন