দিরাইয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত
jugantor
মানবতাবিরোধী অপরাধ
দিরাইয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর  

১৮ জুন ২০১৯, ০৯:৩৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দিরাইয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

তদন্ত সংস্থার ৭১তম প্রতিবেদনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১১ আসামির মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন।

সোমবার রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক মো. হান্নান খান।

এ মামলায় দিরাই ও শাল্লা থানা পুলিশ দুদফায় যৌথ অভিযানে ইতিমধ্যে যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন- সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার দৌলতপুরের মোহাম্মদ জুবায়ের মনির (৬২), একই থানার সুলতানপুর গ্রামের মো. জাকির হোসেন (৬২), শশারকান্দা গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমান (৬১), উজানগাঁও গ্রামের মো. তোতা মিয়া টেইলার (৮১), একই জেলার দিরাই উপজেলার শ্যামারচর পশ্চিম দৌলতপুর এলাকার মো. আব্দুল জলিল (৭১) এবং মো. আব্দুর রশিদ (৬০)।

এদের মধ্যে জুবায়ের মনির, সিদ্দিকুর, তোতা মিয়া ও রশিদ বিএনপি সমর্থক। জাকির শাল্লা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং জলিল আগে বিএনপির সমর্থক হলেও এখন আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পলাতক পাঁচজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

এ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১২ মার্চ থেকে তদন্ত শুরু হয়। আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অপহরণ, ধর্ষণ, গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের মোট ৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ জনকে হত্যা, বীরাঙ্গনা ৫ জন, আনুমানিক ৩০ বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ, ৩১ জনকে অপহরণ ও ১৪ জনকে নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধ

দিরাইয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত

 যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর 
১৮ জুন ২০১৯, ০৯:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দিরাইয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পেরুয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্তরা। ছবি: যুগান্তর

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।  

তদন্ত সংস্থার ৭১তম প্রতিবেদনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১১ আসামির মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন।

সোমবার রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক মো. হান্নান খান।

এ মামলায় দিরাই ও শাল্লা থানা পুলিশ দুদফায় যৌথ অভিযানে ইতিমধ্যে যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন- সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার দৌলতপুরের মোহাম্মদ জুবায়ের মনির (৬২), একই থানার সুলতানপুর গ্রামের মো. জাকির হোসেন (৬২), শশারকান্দা গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমান (৬১), উজানগাঁও গ্রামের মো. তোতা মিয়া টেইলার (৮১), একই জেলার দিরাই উপজেলার শ্যামারচর পশ্চিম দৌলতপুর এলাকার মো. আব্দুল জলিল (৭১) এবং মো. আব্দুর রশিদ (৬০)।

এদের মধ্যে জুবায়ের মনির, সিদ্দিকুর, তোতা মিয়া ও রশিদ বিএনপি সমর্থক। জাকির শাল্লা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং জলিল আগে বিএনপির সমর্থক হলেও এখন আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পলাতক পাঁচজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। 

এ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১২ মার্চ থেকে তদন্ত শুরু হয়। আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অপহরণ, ধর্ষণ, গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের মোট ৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ জনকে হত্যা, বীরাঙ্গনা ৫ জন, আনুমানিক ৩০ বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ, ৩১ জনকে অপহরণ ও ১৪ জনকে নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন