ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ভাংচুর ও লুটের মামলা

  আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি ১১ জুলাই ২০১৯, ২২:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি

সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ৯৬ জনের ভাংচুর ও লুটতরাজের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মানিকগঞ্জ জেলার মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় এ মামলা করেছেন।

মামলায় অন্যদের মধ্যে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন (৫৭), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশির, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্তুজা আলী বাবুসহ (৫৭) ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে মোহাম্মদ আলী উল্লেখ করেন, আশুলিয়ার পাথালিয়া মৌজায় এস এ ৯ আর এস-১৬৬ নং খতিয়ানের সিএস ও এসএ-৫২৪ আরএস-১১৫০ নং দাগে ৪.২৪ একর সম্পত্তি তিনিসহ তাজুল ইসলাম ও আনিছুর রহমান ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে চারপাশে বাউন্ডারি ও গেট নির্মাণ করে ভোগ দখলে নিয়োজিত আছেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তাদের উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যাহার প্রেক্ষিতে আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি ও মামলা দায়ের করেছে তারা। বুধবার রাত অনুমান সাড়ে ৩টায় তারা দেয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ৩টি কম্পিউটার, ৮২টি চেয়ার, ২৮টি সিলিং ফ্যান, ৩টি ফায়ার এক্সটেনগুলেশন লুটপাট করে নিয়েছে। এতে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এসময় তাদের সিকিউরিটি গার্ড আব্দুল হান্নান ও তার স্ত্রী মমতা বেগমকে মারধর করেছে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর লোকজন।

জানতে চাইলে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুরতজা আলী বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমি ও স্থাপনা জনৈক মোহাম্মদ আলী ও তার সঙ্গীয়রা কতিপয় ভাড়াটে সন্ত্রাসীর দিয়ে জবর দখল করে রেখেছে। ঘটনায় একাধিক মামলা দিয়ে তিনিসহ ট্রেজারার দেলোয়ার হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হয়রানি করে আসছে।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত মামলায় উল্লেখিত ৪.২৪ একর জমি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষে আদালত রায় প্রদান করেন। হঠাৎ এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহ করতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উক্ত বাউন্ডারি ঘেরা স্থাপনা জবর দখলকৃত মোহাম্মদ আলী গংরা ভেঙ্গে ফেলে উল্টো তাদেরকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলায় তাদেরকে জড়িয়েছে।

উল্লেখিত ঘটনার সঙ্গে তিনি ও মামলার এজাহারের কেউ জড়িত নন। এটি একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো মামলা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×