‘ডাকাত ধরাও পড়ছে, আবার বেরিয়েও আসছে’
jugantor
‘ডাকাত ধরাও পড়ছে, আবার বেরিয়েও আসছে’

  যশোর ব্যুরো  

১১ জুলাই ২০১৯, ২২:৫২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মঈনুল হকের প্রেস ব্রিফিং

‘যশোরে ডাকাতি থামানো যাচ্ছে না। একের পর এক সিরিজ ডাকাতি করেই চলেছে। ডাকাতির বিপরীতে পুলিশও করছে ‘কুইক রেসপন্স’। ধরাও পড়ছে ডাকাত দল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা বেরও হয়ে আসছে। আবার শুরু করছে সিরিজ ডাকাতি।’

বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

পুলিশ সুপার জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রাজাপুর, চাঁপাতলা ও বর্ণী গ্রামের চারটি বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখি বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশগুরুত্বপূর্ণ সকল পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযানে নামে। ফলও মেলে ২৪ ঘণ্টায়। ধরা পড়ে ৪ ডাকাত।

এরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার মানিকদি গ্রামের গোপাল মণ্ডলের ছেলে লাল্টু, নাটোরের রেলস্টেশন এলাকার বলাই মণ্ডলের ছেলে আবু বক্কর, যশোর শহরতলীর ভাতুড়িয়ার হাসেম বাঙ্গালের ছেলে মহসিন, কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের মোসলেম সর্দারের ছেলে শাহিন। তাদের কাছ থেকে প্রায় বিশ হাজার টাকা, একজোড়া বালা এবং ব্যবহৃত মোবাইল ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এরা আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। এদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা কখনোই একই দলভুক্ত থাকে না। অল্পদিনে দল পাল্টায়। আবার দলের সবাই সবাইকে সবসময় চেনেও না। একাধিক দল একসঙ্গে ডাকাতি করতে নেমেও ঘটনাচক্রে তাদের পরিচয় হয়।

জেলখানায় বন্দি অবস্থায়ও তারা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিতি হয়ে মুক্তির পর বেরিয়ে এসে একইদলেও কখনও কখনও যুক্ত হয়।

এসপি জানান, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আটকের পর জামিনে বের হয়ে এসে এরা আবার একই অপরাধ সংঘটিত করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিকদার সালাউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

‘ডাকাত ধরাও পড়ছে, আবার বেরিয়েও আসছে’

 যশোর ব্যুরো 
১১ জুলাই ২০১৯, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যশোরে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মঈনুল হকের প্রেস ব্রিফিং
যশোরে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মঈনুল হকের প্রেস ব্রিফিং

‘যশোরে ডাকাতি থামানো যাচ্ছে না। একের পর এক সিরিজ ডাকাতি করেই চলেছে। ডাকাতির বিপরীতে পুলিশও করছে ‘কুইক রেসপন্স’। ধরাও পড়ছে ডাকাত দল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা বেরও হয়ে আসছে। আবার শুরু করছে সিরিজ ডাকাতি।’

বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

পুলিশ সুপার জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রাজাপুর, চাঁপাতলা ও বর্ণী গ্রামের চারটি বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখি বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশগুরুত্বপূর্ণ সকল পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযানে নামে। ফলও মেলে ২৪ ঘণ্টায়। ধরা পড়ে ৪ ডাকাত।

এরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার মানিকদি গ্রামের গোপাল মণ্ডলের ছেলে লাল্টু, নাটোরের রেলস্টেশন এলাকার বলাই মণ্ডলের ছেলে আবু বক্কর, যশোর শহরতলীর ভাতুড়িয়ার হাসেম বাঙ্গালের ছেলে মহসিন, কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের মোসলেম সর্দারের ছেলে শাহিন। তাদের কাছ থেকে প্রায় বিশ হাজার টাকা, একজোড়া বালা এবং ব্যবহৃত মোবাইল ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এরা আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। এদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা কখনোই একই দলভুক্ত থাকে না। অল্পদিনে দল পাল্টায়। আবার দলের সবাই সবাইকে সবসময় চেনেও না। একাধিক দল একসঙ্গে ডাকাতি করতে নেমেও ঘটনাচক্রে তাদের পরিচয় হয়।

জেলখানায় বন্দি অবস্থায়ও তারা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিতি হয়ে মুক্তির পর বেরিয়ে এসে একইদলেও কখনও কখনও যুক্ত হয়।

এসপি জানান, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আটকের পর জামিনে বের হয়ে এসে এরা আবার একই অপরাধ সংঘটিত করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিকদার সালাউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন