চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতে এসআইয়ের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
jugantor
চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতে এসআইয়ের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

  পটুয়াখালী (দ.) প্রতিনিধি  

১৫ জুলাই ২০১৯, ২২:০৮:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের মামলায় পুলিশের এসআই মো. শামীম আকন (৪৬) ও কনস্টেবল আল-আমিনের (৩৪) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

সোমবার দুপুরে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আমলি আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

পুলিশের এসআই মো. শামীম বর্তমানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় কর্মরত এবং কনস্টেবল আল-আমিন আকন বরগুনা থানায় কর্মরত রয়েছেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সম্পর্কে আপন ভাই। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার জামুরা তেলিখালী গ্রামে। তারা মৃত ইউছুব আকনের ছেলে।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, বাদীর দুই ছেলেকে পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নেন পুলিশের এসআই মো. শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন আকন। এর মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ লাখ ১৪ হাজার টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং নগদ ৪ লাখ টাকা দেয়া হয় ওই দুই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে।

কিন্তু এসআই মো. শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন কোনো চাকরি দিতে পারেননি। পরবর্তীতে চাকরির টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে টাকা দেবেন না বলে জানিয়ে দেন তারা। এমনকি এ টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাদী ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেন সহোদর ওই দুই পুলিশ সদস্য।

কোনো উপায় না পেয়ে ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. মিলন ডাকুয়া।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক পটুয়াখালী পিবিআইকে আদেশ দেন। পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মতিনুর রহমান চলতি বছরের ৬ জুলাই একটি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।

ওই তদন্ত প্রতিবেদনে মো. শামীম আকন ও মো. আল-আমিন আকনের বিরুদ্ধে অপরাধের সত্যতা পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতে এসআইয়ের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

 পটুয়াখালী (দ.) প্রতিনিধি 
১৫ জুলাই ২০১৯, ১০:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের মামলায় পুলিশের এসআই মো. শামীম আকন (৪৬) ও কনস্টেবল আল-আমিনের (৩৪) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

সোমবার দুপুরে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আমলি আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

পুলিশের এসআই মো. শামীম বর্তমানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় কর্মরত এবং কনস্টেবল আল-আমিন আকন বরগুনা থানায় কর্মরত রয়েছেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সম্পর্কে আপন ভাই।  তাদের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার জামুরা তেলিখালী গ্রামে। তারা মৃত ইউছুব আকনের ছেলে। 

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, বাদীর দুই ছেলেকে পুলিশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নেন পুলিশের এসআই মো. শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন আকন। এর মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ লাখ ১৪ হাজার টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং নগদ ৪ লাখ টাকা দেয়া হয় ওই দুই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে।

কিন্তু এসআই মো. শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন কোনো চাকরি দিতে পারেননি।  পরবর্তীতে চাকরির টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে টাকা দেবেন না বলে জানিয়ে দেন তারা। এমনকি এ টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাদী ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেন সহোদর ওই দুই পুলিশ সদস্য।

কোনো উপায় না পেয়ে ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. মিলন ডাকুয়া। 

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক পটুয়াখালী পিবিআইকে আদেশ দেন।  পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মতিনুর রহমান চলতি বছরের ৬ জুলাই একটি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। 

ওই তদন্ত প্রতিবেদনে মো. শামীম আকন ও  মো. আল-আমিন আকনের বিরুদ্ধে অপরাধের সত্যতা পাওয়া যায়।  এর প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন