নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন কর্মসূচি

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি ১৯ জুলাই ২০১৯, ১৪:৫৪ | অনলাইন সংস্করণ

নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি
হুমায়ূন আহমেদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছেন স্বজনরা। ছবি: যুগান্তর

গাজীপুরের পিরুজালীতে কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় মেহের আফরোজ শাওনের বাবা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী হুমায়ূন আহমেদের কবরে পরিবারের পক্ষ থেকে নুহাশ পল্লীর কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তার কবরের পাশে রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এ বছর দেশের বাইরে থাকায় লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তার দুই ছেলে নিশান ও নিনিদ তার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই কার্টুনিস্ট এবং মাসিক উন্মাদের সম্পাদক ও প্রকাশক আহসান হাবীব, তার স্ত্রী আফরোজা আমিন, বোন সুফিয়া হায়দার, রোকসানা আহমেদ, অন্য প্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম, আগামী প্রকাশনীর ওসমান গনি, অভিনেতা সৈয়দ হাসান সোহেলসহ প্রমুখ।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় তারা সবাই লেখকের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শাওনের বাবা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জানান, শাওন চলচ্চিত্রবিষয়ক ছয় মাসব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ নিতে নিশাদ ও নিনিদকে সঙ্গে নিয়ে গত মে মাসে আমেরিকা গেছেন। এ জন্য তারা এ কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেননি।

তবে শাওন নিউইয়র্কে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে একটি স্মরণসভায় যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

লেখক হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই আহসান হাবিব জানান, হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে পারিবারিকভাবে একটি মিউজিয়াম স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তাকে নিয়ে একটি আর্কাইভ নির্মাণ করা হয়েছে। অনেকে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে গবেষণা করছেন। এ আর্কাইভ গবেষণা কাজে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সব স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলেও তার অনেক কিছুই বাস্তবায়িত হয়েছে। ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণসহ অনেক স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।

এ ছাড়া প্রকাশক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি হুমায়ূন আহমেদের লেখাগুলো নির্ভুলভাবে প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি।

হিমু পরিবহনের সভাপতি আসলাম হোসেন জানান, সকালে নরসিংদী, গাজীপুর, ফরিদপুর ও ঢাকা থেকে হিমু পরিবহনের ৬০ সদস্য নুহাশ পল্লীর কর্মসূচিতে যোগ দেন। তারা একযোগে ৪০ জেলায় প্রিয় লেখকের স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছেন। তার মধ্যে বৃক্ষরোপণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বইমেলা রয়েছে। হিমুদের উদ্যোগে ইতিমধ্যে ১০ জেলায় পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।

নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, দিনটি উপলক্ষে সকাল থেকে কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্যারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসা এতিম শিশু ছাড়াও অতিথিদের খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×