এলাকাবাসীর অভিযোগ চাঁদাবাজি

‘আমরা হিজরা, হাটবাজারে তোলা তুলে পেট চালাই’

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি ২১ জুলাই ২০১৯, ১৪:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

‘হাটবাজারে তোলা তুলে পেট চালাই’
রোববার গুরুদাসপুরে নয়াবাজার বিশ্বরোর্ড হাটে হিজড়ারা। ছবি: যুগান্তর

‘আমরা হিজরা, হাটবাজারে তোলা তুলে পেট চালাই। দেশে বা সমাজের কোথাও আমাদের জায়গা নেই। কর্মসংস্থানের সুযোগও নেই।’

রোববার উপজেলার নয়াবাজার বিশ্বরোর্ড হাটে হিজড়া সংগঠনের অন্যতম নেতা বাসন্তী ও জোনাকী এ কথা বলেন।

তারা বলেন, অতীতকাল থেকে হিজড়ারা অপরের সহযোগিতায় চলে আসছে। নানা প্রতিকূলতায় তারা কাজ করতে পারে না। এ কারণে অপরের সাহায্য ছাড়া তারা চলতে পারে না বলে হাটবাজারে তোলা তুলে পেট চালায়।

তবে হিজড়াদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন হাটবাজার, দোকানপাট- এমনকি বাসাবাড়িতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হিজড়া বাহিনী।

অক্ষমতার অজুহাতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বাসাবাড়ি ও ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সর্বত্র চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে তারা।

অভিযোগে আরও জানা যায়, কোনো ঝামেলা ছাড়া অর্থ উপার্জনের জন্য অনেকে হিজড়া না হয়েও হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি করছে।

বাজারের ১৫ হিজড়া বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে কৃষকের নিয়ে আসা রসুনের বস্তা থেকে নিজের হাতে রসুন তুলে নিচ্ছে। এতে কোনো কৃষক কম করে নিতে বললে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে দেখা যায়।

এদিকে হিজড়াদের দাবি, তাদের বাঁচার অধিকার আছে। দেশে বা সমাজের কোথাও আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোড় দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন বলেন, অনেকে বিষয়টি আমাকে বলেছেন। হাট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×