নবীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখমের নেপথ্যে...
jugantor
নবীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখমের নেপথ্যে...

  নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ জুলাই ২০১৯, ০০:৪৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

স্কুলছাত্রীকে কোপানোই আটককৃত আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া
স্কুলছাত্রীকে কোপানোই আটককৃত আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও এলাকায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় ইয়াছমিন আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুই বখাটে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক দুই বখাটেকে আটক করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

আটকরা হলো নোয়াগাঁও গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম (২৫) ও সেকুল মিয়া (২০)। যদিও পুলিশ বলছে, এ ঘটনা শুধুই মারামারি অন্য কিছু নয়।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটে ওই স্কুলছাত্রীকে বিরক্ত করতো এবং একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাব দেয়।  কিন্তু মেয়েটি তার প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।

এরই জের ধরে শনিবার বিকালে স্কুল ছুটি হওয়ার পর ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির নিকটবর্তী কবরস্থানের রাস্তার পাশে পৌঁছার পর রহিম তার গতিরোধ করে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে অশ্লীল কথাবার্তা বলে এর প্রতিবাদ করেন ইয়াছমিন।

এ সময় আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া ইয়াছমিনকে রাস্তার পাশে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় ইয়াছমিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।

পরে তাকে তার পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। স্কুলছাত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় রাতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, স্থানীয় বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠক করা হয়।

পরে বৈঠকে বসা গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশকে খবর দিলে রাত ১০টার দিকে নবীগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল ইসলাম পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়াকে বাংলা বাজার থেকে আটক করে।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে আহত মেয়ের চাচা বলেন, আমার ভাতিজিকে রহিম এর আগেও বেশ কয়েকবার রাস্তাঘাটে বিরক্ত করেছে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, তাদের দুই পরিবারের মারামারিতে মেয়েটি আহত হয়। আমরা তাৎক্ষণিক দুজনকে আটক করি। এর বাহিরে আমার কিছু জানা নেই।

নবীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখমের নেপথ্যে...

 নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ জুলাই ২০১৯, ১২:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্কুলছাত্রীকে কোপানোই আটককৃত আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া
স্কুলছাত্রীকে কোপানোই আটককৃত আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও এলাকায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় ইয়াছমিন আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুই বখাটে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক দুই বখাটেকে আটক করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

আটকরা হলো নোয়াগাঁও গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম (২৫) ও সেকুল মিয়া (২০)। যদিও পুলিশ বলছে, এ ঘটনা শুধুই মারামারি অন্য কিছু নয়।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটে ওই স্কুলছাত্রীকে বিরক্ত করতো এবং একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মেয়েটি তার প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।

এরই জের ধরে শনিবার বিকালে স্কুল ছুটি হওয়ার পর ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির নিকটবর্তী কবরস্থানের রাস্তার পাশে পৌঁছার পর রহিম তার গতিরোধ করে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে অশ্লীল কথাবার্তা বলে এর প্রতিবাদ করেন ইয়াছমিন।

এ সময় আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়া ইয়াছমিনকে রাস্তার পাশে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় ইয়াছমিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।

পরে তাকে তার পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। স্কুলছাত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় রাতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, স্থানীয় বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠক করা হয়।

পরে বৈঠকে বসা গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশকে খবর দিলে রাত ১০টার দিকে নবীগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল ইসলাম পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবদুর রহিম ও সেকুল মিয়াকে বাংলা বাজার থেকে আটক করে।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে আহত মেয়ের চাচা বলেন, আমার ভাতিজিকে রহিম এর আগেও বেশ কয়েকবার রাস্তাঘাটে বিরক্ত করেছে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, তাদের দুই পরিবারের মারামারিতে মেয়েটি আহত হয়। আমরা তাৎক্ষণিক দুজনকে আটক করি। এর বাহিরে আমার কিছু জানা নেই।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন