সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ নিহত ২
jugantor
সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ নিহত ২

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

২৩ জুলাই ২০১৯, ১০:৫৯:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ দস্যু নিহত

সুন্দরবনে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিনের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু খালেক বাহিনীর প্রধানসহ দুই দস্যু নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়।

মঙ্গলবার ভোরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়ার খাল এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বনদস্যু খালেক বাহিনীর প্রধান খালেক (৪৮) ও তার সহযোগী (২৯)। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় এবং অস্ত্র ও গুলির সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

র‌্যাব-৮ এর উপঅধিনায়ক মেজর সজীবুল ইসলাম সকাল সাড়ে ১০টায় বলেন, সাগরে মাছ আহরণের নিষেধাজ্ঞা আজ মঙ্গলবার প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তাই ইলিশ মৌসুমে সাগরের ওপর নির্ভরশীল জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সুন্দরবন ও সাগরে টহল জোরদার করে।

নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে র‌্যাবের একটি দল সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়ার খাল এলাকায় যায়। এ সময় বনদস্যুরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রথমে গুলিবর্ষণ শুরু করে।

এ সময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে বনদস্যুরা বনের গহীনে চলে গেলে র‌্যাব সদস্যরা জোংড়ার খাল এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় দুজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ ও বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।

দিনের আলো ফুটলে নদীতে থাকা জেলেরা সেখানে এসে এ দুজনকে খালেক বাহিনীর সদস্য বলে শনাক্ত করেন বলে র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন।

নিহতদের মরদেহ খুলনার দাকোপ থানায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে খালেক নামে এক ব্যক্তি ৫-৬ জন সহযোগী নিয়ে নিজ নামে বাহিনী গড়ে তোলেন।

সাগর ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে এই খালেক বাহিনী।

সর্বশেষ এই খালেক বাহিনী ইলিশ মৌসুমে সাগরে মাছ ধরতে আসা জেলেদের ট্রলারে ডাকাতি ও চাঁদাবাজির প্রস্তুতি নিতে সুন্দরবনের জোংড়া খাল এলাকায় অবস্থান করছে বলেও র‌্যাবের গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল।

সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ নিহত ২

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
২৩ জুলাই ২০১৯, ১০:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ দস্যু নিহত
ছবি: যুগান্তর

সুন্দরবনে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিনের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু খালেক বাহিনীর প্রধানসহ দুই দস্যু নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়। 

মঙ্গলবার ভোরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়ার খাল এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বনদস্যু খালেক বাহিনীর প্রধান খালেক (৪৮) ও তার সহযোগী (২৯)। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় এবং অস্ত্র ও গুলির সংখ্যা  তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

র‌্যাব-৮ এর উপঅধিনায়ক মেজর সজীবুল ইসলাম সকাল সাড়ে ১০টায় বলেন, সাগরে মাছ আহরণের নিষেধাজ্ঞা আজ মঙ্গলবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

তাই ইলিশ মৌসুমে সাগরের ওপর নির্ভরশীল জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সুন্দরবন ও সাগরে টহল জোরদার করে। 

নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে র‌্যাবের একটি দল সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়ার খাল এলাকায় যায়। এ সময় বনদস্যুরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রথমে গুলিবর্ষণ শুরু করে। 

এ সময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে বনদস্যুরা বনের গহীনে চলে গেলে র‌্যাব সদস্যরা জোংড়ার খাল এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় দুজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ ও বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। 

দিনের আলো ফুটলে নদীতে থাকা জেলেরা সেখানে এসে এ দুজনকে খালেক বাহিনীর সদস্য বলে শনাক্ত করেন বলে র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন। 

নিহতদের মরদেহ খুলনার দাকোপ থানায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে খালেক নামে এক ব্যক্তি ৫-৬ জন সহযোগী নিয়ে নিজ নামে বাহিনী গড়ে তোলেন। 

সাগর ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে এই খালেক বাহিনী। 

সর্বশেষ এই খালেক বাহিনী ইলিশ মৌসুমে সাগরে মাছ ধরতে আসা জেলেদের ট্রলারে ডাকাতি ও চাঁদাবাজির প্রস্তুতি নিতে সুন্দরবনের জোংড়া খাল এলাকায় অবস্থান করছে বলেও র‌্যাবের গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত

আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন