পাঠ্যক্রমে তাজউদ্দীনের জীবনী-অবদান অন্তর্ভুক্তির দাবি সন্তানদের

  গাজীপুর প্রতিনিধি ২৩ জুলাই ২০১৯, ২৩:০৬ | অনলাইন সংস্করণ

তাজউদ্দীন আহমদের ৯৪তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শারমিন আহমদ
তাজউদ্দীন আহমদের ৯৪তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শারমিন আহমদ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমদের জীবনী ও অবদানের কথা সব স্তর ও শ্রেণির পাঠ্যক্রমে আন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদের বড় মেয়ে শারমিন আহমদ।

মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুর মহানগরের তাজউদ্দীন অডিটোরিয়ামে তাজউদ্দীন আহমদের ৯৪তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানের বরেণ্য অতিথির বক্তব্যে ওই দাবির কথা জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদ, গাজীপুর জেলা ও মহানগর কমিটি আয়োজিত ওই আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান।

সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. শাহ আলম টুটুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ, গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহমদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুল হাদী শামীম, কাপাসিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমানত হোসেন খান, ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম লস্কর, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হীরা সরকার প্রমুখ।

শারমিন আহমদ বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনদের আলোর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, একজন স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন আরেকজন তার সফল বাস্তবায়ন করেছিলেন। গতবছর তাজউদ্দীন আহমদের ট্রাস্ট ফান্ডের এক স্মরণসভায় ড. মুনতাসীর মামুন বলেছিলেন তাজউদ্দীনকে বাদ দিয়ে দেশের ইতিহাস লেখা সম্ভবপর নয়।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তাজউদ্দীন একে অপরের পরিপূরক। তাই ক্লাশ ওয়ান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার প্রতিটি স্তরে তাদের অবদান ও জীবনী অন্তর্ভুক্তি করতে হবে যাতে করে তাদেরকে মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এসব আলোকিত মানুষের জীবনী পড়ার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেন, দেশের ইতিহাস জানতে হলে নিজের জন্মসূত্রও জানতে হবে। জাতির পরিচয় জানতে হলে তার উৎস জানতে হবে। আমাদের প্রত্যেককে নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। যে যেখানে আছি সেখান থেকেই তার নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে এ দেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

তিনি বলেন, দেশ হবে দেশের মানুষের জন্য, শাসনের জন্য নয়। এ অনুভূতি নিয়েই এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিল। তারা যুদ্ধ করেছিল দেশের মানুষ যাতে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে। দেশে অন্ন-বস্ত্র আর খাবারের কোনো অভাব না থাকে, মানুষ যাতে বিনা চিকিৎসায় না মরে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সবাই শিক্ষার অধিকার পায়।

আলোচনা অনুষ্ঠানের পর প্রধান অতিথি ও তাজউদ্দীন আহমদের বড় মেয়ে শারমিন আহমদ এবং ছেলে সোহেল তাজ তার বাবার জন্মদিনের কেক কেটে অতিথিদের খাওয়ান। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×