বাউফলে পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে সালিশে হামলা, আহত ৫

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ১৬ অগাস্ট ২০১৯, ২০:০৮:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফলে এক পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে সালিশ-বৈঠক পণ্ড করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় এক মুক্তিযোদ্ধা এবং সালিশকারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বীরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে এ ঘটনা।

জানা গেছে, পুলিশ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম স্বপন ঢাকায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটে উপ-পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের পোনাহুড়া গ্রামে।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন মো. হজরত আলী (৫৫), জাহিদুল ইসলাম (২২), মো. রাকিব (২২), মুক্তিযোদ্ধা নওয়াব আলী খান (৭২), এনামুল বারী ওরফে লিটন সিকদার (৪২)। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত হজরত আলী, জাহিদুল ও রাকিবকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম বীরপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলামের (৪৬) সঙ্গে একই গ্রামের মো. সেলিম হাওলাদার (৬৬) গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য শুক্রবার সকাল ১০টায় কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের উপস্থিতিতে সালিশ-বৈঠক শুরু হয়।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে সেলিম হাওলাদারের পক্ষে পুলিশ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম স্বপনের (৪২) নেতৃত্বে ২৫-৩০ ব্যক্তি লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে সালিশ পণ্ড করে দেয়।

সালিশকারী মুক্তিযোদ্ধা মো. নওয়াব আলী খান বলেন, শহিদুল ইসলাম স্বপন সালিশ-বৈঠকে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত পরিবেশের সৃষ্টি করেন। তার নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মো, শাহিন হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনার জন্য শহিদুল ইসলাম স্বপন দায়ী। তার নেতৃত্বেই হামলা চালিয়ে সালিশ-বৈঠক পণ্ড করে দেয়া হয়েছে।’

অবশ্য মো. শহিদুল ইসলাম স্বপন ওই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি গিয়েছিলাম আমার আত্মীয় সেলিম হাওলাদারের দাওয়াতে। সেখানে সালিশ-বৈঠকে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরিবেশ ভালো না থাকায় আমি সালিশ বৈঠক থেকে চলে আসি। যখন মারামারি হয় আমি তখন ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে একটি বাজারে ছিলাম।’

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সালিশ-বৈঠকের শেষের দিকে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত