‘১৬ বছর সুন্দর ছিল, ১৭তম বছরে ঘটে গেছে অনেক কিছু’
jugantor
আত্মহত্যাকারী কলেজছাত্রীর চিরকুট
‘১৬ বছর সুন্দর ছিল, ১৭তম বছরে ঘটে গেছে অনেক কিছু’

  কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০১৯, ২২:৫০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নে নিজ ঘর থেকে শারমিন আক্তার (১৮) নামক এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পাশে ছিল চিরকুট। তাতে লেখা ‘জীবনের ১৬ বছর পর্যন্ত ভালো ছিল। ১৭তম বছরে ঘটে গেছে অনেক কিছু।’

সোমবার ১৯ আগস্ট ভোরে উপজেলার বালিয়াটিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের লাল মিয়ার মেয়ে সুজা মেমোরিয়াল কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী শারমিন নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে পরিবারের সদস্যরা পরে থানা পুলিশকে খবর দেন।

তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শেষ লেখা চিরকুটটি, ‘আমার আব্বা, আম্মা ও ভাই আমাকে খুব আদর করেন। সবাই আমাকে ভালোবাসেন। আমার মা-বাবা আমাকে বিয়ে দিতে চাইছিলেন। আমি এই মুহূর্তে বিয়ের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু বিয়েতে অমত করলে আমার মা-বাবা কষ্ট পাবেন। আমি আমার মা-বাবাকে কষ্ট দিতে চাই না। তাই এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি জানি ওপারে অগ্নি চুল্লিতে আমি জ্বলবো। তবুও আমাকে সবাই মাফ করে দিয়েন।’

চিরকুটে আরও সে লিখে, ‘আমার জীবনের ১৬টি বছর খুব সুন্দর ছিল। কিন্তু ১৭তম বছরে অনেক কিছু ঘটে গেছে।’

কুলাউড়া থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বুঝা যাচ্ছে না। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

আত্মহত্যাকারী কলেজছাত্রীর চিরকুট

‘১৬ বছর সুন্দর ছিল, ১৭তম বছরে ঘটে গেছে অনেক কিছু’

 কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০১৯, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নে নিজ ঘর থেকে শারমিন আক্তার (১৮) নামক এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পাশে ছিল চিরকুট। তাতে লেখা ‘জীবনের ১৬ বছর পর্যন্ত ভালো ছিল। ১৭তম বছরে ঘটে গেছে অনেক কিছু।’

সোমবার ১৯ আগস্ট ভোরে উপজেলার বালিয়াটিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের লাল মিয়ার মেয়ে সুজা মেমোরিয়াল কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী শারমিন নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে পরিবারের সদস্যরা পরে থানা পুলিশকে খবর দেন।

তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শেষ লেখা চিরকুটটি, ‘আমার আব্বা, আম্মা ও ভাই আমাকে খুব আদর করেন। সবাই আমাকে ভালোবাসেন। আমার মা-বাবা আমাকে বিয়ে দিতে চাইছিলেন। আমি এই মুহূর্তে বিয়ের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু বিয়েতে অমত করলে আমার মা-বাবা কষ্ট পাবেন। আমি আমার মা-বাবাকে কষ্ট দিতে চাই না। তাই এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি জানি ওপারে অগ্নি চুল্লিতে আমি জ্বলবো। তবুও আমাকে সবাই মাফ করে দিয়েন।’

চিরকুটে আরও সে লিখে, ‘আমার জীবনের ১৬টি বছর খুব সুন্দর ছিল। কিন্তু ১৭তম বছরে অনেক কিছু ঘটে গেছে।’

কুলাউড়া থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বুঝা যাচ্ছে না। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন