ছেলেধরা সন্দেহে বেঁধে ফের নারীকে পিটুনি

  যুগান্তর ডেস্ক ২০ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

আবার ছেলেধরা সন্দেহে বেঁধে পেটানো হলো মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে
ছেলেধরা সন্দেহে আটক সেই নারী, ছবি: সংগৃহীত

বেশ কিছুদিন বিরতির পর ছেলেধরা সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীনকে পেটানোর ঘটনা আবারও ঘটল।

মঙ্গলবার দুপুরে কুড়িগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করেছে কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম সদর থানার ডিউটি অফিসার ও পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সোহেল

জানান, মঙ্গলবার ছেলেধরা সন্দেহে ত্রিমোহনী এলাকায় এক নারীকে আটক করা হয়। ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আমরা আমরা ফোর্স পাঠিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।

নারীটি মানসিক ভারসাম্যহীন জানিয়ে তিনি বলেন, তার পরিচয় জানার চেষ্টা করছি আমরা।

তিনি আরও জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই নারী ত্রিমোহনী বাজারে গিয়ে এক শিশুর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি এলাবাসীর চোখে পড়লে তাকে বাজারে একটি দোকানের খুঁটিতে বেঁধে রাখে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ত্রিমোহনী বাজার জামে মসজিদের পেছনে অবস্থিত জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে ৫ বছর বয়সী মেয়ের হাত ধরে টান দেয় ওই নারী।

এ ঘটনায় শিশুটি চিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন বেরিয়ে এসে ওই নারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। এর পর শিশুটির বাবা তারা মিয়া তাকে আটকে ত্রিমোহনী বাজারের একটি দোকানের খুঁটিতে বেঁধে পেটায়।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ছেড়ে দিতে বলে। এরইমধ্যে একজন ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সাহায্য চান। এর কিছুক্ষণ পরেই কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, ওই নারী কিভাবে ত্রিমোহনী বাজারে এলো তা জানা যায়নি। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন তিনি।

নিজের নাম রেজিয়া পারভীন ও নাটোরের সিংড়া থেকে এসেছেন বলেন। এর পর আবার গোবিন্দ নগরে তার বাড়ি বলছেন।

কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. মাহফুজার রহমান জানান, ওই নারীকে দেখে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হচ্ছে। তাকে ছেলেধরা সন্দেহে আটকে রাখা হয়েছিল। তবে তাকে বেঁধে পেটানোর কোনও অভিযোগ পাইনি।

তিনি আরও জানান, আমরা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের খবর দিয়েছি। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে ওই নারীর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×