আইজিপির সমাবেশে আত্মসমর্পণকারী সেই মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার
jugantor
আইজিপির সমাবেশে আত্মসমর্পণকারী সেই মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২৩ আগস্ট ২০১৯, ২২:০১:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাকাল ইসলামপুর চরে মুনসুর শেখ (৪৫) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মুনসুর শেখ মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশের দাবি, মাদক কারবার নিয়ে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গান ও ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে মুনসুরের স্ত্রী শাহনাজ খাতুনের দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাত খেতে বসলে মুনসুরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। কয়েকজন আত্মীয় পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে দেখাও করেন।

তিনি বলেন, আমার স্বামী অনেক আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরায় পুলিশ মহাপরিদর্শকের সমাবেশে ৫০০ মাদক ব্যবসায়ীর মতো তিনিও আত্মসমর্পণ করেন। আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারি তাকে একটি ভ্যান ও আমাকে একটি সেলাই মেশিন উপহার দেন। এরপর থেকে তিনি মাদক ছেড়ে শ্রম দিয়ে সংসার চালাচ্ছিলেন।

মুনসুরের স্ত্রী শাহনাজ খাতুন আরও জানান, তার হৃদরোগী স্বামী ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার আদালতে এসে একটি পুরনো মামলায় হাজিরা দেন।

এর পর বাসায় ফিরে ভাত খেতে বসলে পুলিশ এসে মুনসুরকে ধরে নিয়ে যায়।তার দুটি মোবাইল ফোনও সঙ্গে নিয়ে যায় তারা।

মুনসুরের স্ত্রীর এমন বক্তব্য অসত্য মন্তব্য করে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ জানায়, মুনসুরকে আমরা গ্রেফতার করিনি।

এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে মুনসুর শেখ বলে শনাক্ত করেন এলাকাবাসী।

তিনি আরও বলেন, মুনসুরের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৪টি মাদকের মামলা রয়েছে।

আইজিপির সমাবেশে আত্মসমর্পণকারী সেই মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২৩ আগস্ট ২০১৯, ১০:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাকাল ইসলামপুর চরে মুনসুর শেখ (৪৫) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মুনসুর শেখ মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশের দাবি, মাদক কারবার নিয়ে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গান ও ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 
তবে মুনসুরের স্ত্রী শাহনাজ খাতুনের দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাত খেতে বসলে মুনসুরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। কয়েকজন আত্মীয় পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে দেখাও করেন।

তিনি বলেন, আমার স্বামী অনেক আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরায় পুলিশ মহাপরিদর্শকের সমাবেশে ৫০০ মাদক ব্যবসায়ীর মতো তিনিও আত্মসমর্পণ করেন। আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারি তাকে একটি ভ্যান ও আমাকে একটি সেলাই মেশিন উপহার দেন। এরপর থেকে তিনি মাদক ছেড়ে শ্রম দিয়ে সংসার চালাচ্ছিলেন।

মুনসুরের স্ত্রী শাহনাজ খাতুন আরও জানান, তার হৃদরোগী স্বামী ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার আদালতে এসে একটি পুরনো মামলায় হাজিরা দেন।

এর পর বাসায় ফিরে ভাত খেতে বসলে পুলিশ এসে মুনসুরকে ধরে নিয়ে যায়।তার দুটি মোবাইল ফোনও সঙ্গে নিয়ে যায় তারা।

মুনসুরের স্ত্রীর এমন বক্তব্য অসত্য মন্তব্য করে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ জানায়, মুনসুরকে আমরা গ্রেফতার করিনি।

এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে মুনসুর শেখ বলে শনাক্ত করেন এলাকাবাসী।

তিনি আরও বলেন, মুনসুরের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৪টি মাদকের মামলা রয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন