তিনদিন পর ফের ধরা পড়লেন সেই চক্ষু ডাক্তার!

  কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ২৪ আগস্ট ২০১৯, ১৫:১০ | অনলাইন সংস্করণ

একই অপরাধে তিনদিন পর ফের ধরা পড়লেন সেই চক্ষু ডাক্তার!
লাল বৃত্তে ভুয়া চিকিৎসক মোজাম্মেল হক, ছবি: সংগৃহীত

র‌্যাবের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ধরা পড়লেন এক ভুয়া চিকিৎসক।

অথচ এ ঘটনার তিন দিন আগে একই অপরাধে সেই ভুয়া চিকিৎসককে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা করেছিল সেই ভ্রাম্যমান আদালত।

ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পৌর শহরের কেন্দুয়া ফার্মেসির চেম্বারে।

কেন্দুয়া উপজেলা শহরের বিভিন্নস্থানে ভুয়া সাইনবোর্ড টানিয়ে প্রতারণা করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিল মোজাম্মেল হক নামে এক ভুয়া চক্ষু চিকিৎসক।

সূত্র জানায়, গত সোমবার শহরের রামপুর বাজারে মায়ের দোয়া ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে তাতে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

সেদিন এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

কিন্তু এর তিনদিন পর বৃহস্পতিবার মোজাম্মেল হককে শহরের কেন্দুয়া ফার্মেসিতে আবারও একই অপরাধে দোষী হিসেবে পায় ভ্রাম্যমান আদালতের একটি দল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সোমবার র‌্যাবের সহযোগিতায় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন সুলতানা অভিযানে যান। এদিন রামপুর বাজারে মায়ের দোয়া ফার্মেসির চেম্বার থেকে মোজাম্মেল হক নামে এক চক্ষু চিকিৎসককে তার কাগজপত্র দেখতে চান মেজিস্ট্রেট। মোজাম্মেল তা দেখাতে ব্যর্থ হলে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্যাম্যমান আদালত।

মূলত: চিকিৎসাশাস্ত্রে কোনো লেখাপড়া না করেই নিজেকে চক্ষু ডাক্তার বলে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন মোজাম্মেল ও রোগী দেখছিলেন।

কিন্তু বৃহস্পতিবার কেন্দুয়া পৌর সদরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে কেন্দুয়া ফার্মেসিতে একই অপরাধে আবার দোষী সাব্যস্ত হন মোজাম্মেল হক।

এসময় কাজটি ভুল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর করবেন না জানালে মেজিস্ট্রেট মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০এর ২৮(১)২৯(১) ধারার অপরাধে পুনরায় এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড আরোপ করেন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, আটকের সময় মোজাম্মেল নিজে কোনো রোগী দেখছিলেন না বলে দাবি করে চেম্বারে উপস্থিত একজন এমবিবিএস ডাক্তারকে নিদের্শ করেন।

তবে তিনি শুধু রোগীর ভিশন টেস্ট করছেন বলে জানান। কিন্তু দেখা যায়, ভিশন টেস্ট করে প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্রে নিজেকে ‘চক্ষু চিকিৎসক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন মোজাম্মেল।

তাই ফের তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

ভুয়া চিকিৎসক মোজাম্মেল হক কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের বহুলী গ্রামের বাসিন্দা।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×