স্কুল ছুটির ১৮ ঘণ্টা পর ছাত্রের লাশ মিলল পুকুরে
jugantor
স্কুল ছুটির ১৮ ঘণ্টা পর ছাত্রের লাশ মিলল পুকুরে

  ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

২৫ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৫৩:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

স্কুল ছুটির পর প্রতিদিন বাড়ি ফিরে আসত ১ম শ্রেণির ছাত্র সাবেদ হোসেন। কিন্তু শনিবার দুপুর ১২টায় বিদ্যালয় ছুটির পর সে আর বাড়ি আসেনি।

রোববার সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় স্কুলের ৫০০ গজ দূরে পুকুর থেকে এলাকাবাসী সাবেদ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে।

শিশু ইবাদ ডিমলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পচারহাট গ্রামের আবদুস সালামের পুত্র। সে পচারহাট ব্যাঙ্গের ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।

ওই শিশুর পরিবার জানায়, আবদুস সালাম, তার স্ত্রী রুনা বেগম, কন্যা শরিফা আক্তার (১০) ঢাকায় থাকত। তার একমাত্র পুত্র তার শ্বশুরবাড়ি একই এলাকার হামিদুল ইসলামের বাড়িতে থাকত।

শনিবার দুপুর থেকে শিশুটিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রোববার বুড়ি তিস্তা নদী সংলগ্ন মহুবর রহমানের পুকুরে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে শিশুটি নিখোঁজ থাকায় শাশুড়ি অসুস্থ মর্মে রাতে আবদুস সালামকে সংবাদ দেয়া হয়। বোরবার সকালে তিনি বাড়িতে আসেন।

শিশুটির পিতা আবদুস সালাম অভিযোগ করেন, তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ, এসআই মাহাবুবর রহমান ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হলে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

স্কুল ছুটির ১৮ ঘণ্টা পর ছাত্রের লাশ মিলল পুকুরে

 ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
২৫ আগস্ট ২০১৯, ০৫:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

স্কুল ছুটির পর প্রতিদিন বাড়ি ফিরে আসত  ১ম শ্রেণির ছাত্র সাবেদ হোসেন। কিন্তু শনিবার দুপুর ১২টায় বিদ্যালয় ছুটির পর সে আর বাড়ি আসেনি।

রোববার সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় স্কুলের ৫০০ গজ দূরে পুকুর থেকে এলাকাবাসী সাবেদ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে।

শিশু ইবাদ ডিমলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পচারহাট গ্রামের আবদুস সালামের পুত্র। সে পচারহাট ব্যাঙ্গের ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।

ওই শিশুর পরিবার জানায়, আবদুস সালাম, তার স্ত্রী রুনা বেগম, কন্যা শরিফা আক্তার (১০) ঢাকায় থাকত। তার একমাত্র পুত্র তার শ্বশুরবাড়ি একই এলাকার হামিদুল ইসলামের বাড়িতে থাকত।

শনিবার দুপুর থেকে শিশুটিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রোববার বুড়ি তিস্তা নদী সংলগ্ন মহুবর রহমানের পুকুরে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে শিশুটি নিখোঁজ থাকায় শাশুড়ি অসুস্থ মর্মে রাতে আবদুস সালামকে সংবাদ দেয়া হয়। বোরবার সকালে তিনি বাড়িতে আসেন।

শিশুটির পিতা আবদুস সালাম অভিযোগ করেন, তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ, এসআই মাহাবুবর রহমান ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হলে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন