‘দেশবাসী দেখেছে স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নি কতকিছুই না করেছে’
jugantor
‘দেশবাসী দেখেছে স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নি কতকিছুই না করেছে’

  বরগুনা প্রতিনিধি  

০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:২৭:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি

আমার মেয়ে তার স্বামীকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য কতকিছুই না করেছে। তারপরও পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমার মেয়েকে অন্যায়ভাবে আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর রোববার বিকালে তিনি যুগান্তরকে এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে ৭নং আসামি করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুইখণ্ড চার্জশিট দাখিল করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা থানার ওসি। মামলায় ১৪ জন আসামি শিশু ও মিন্নিসহ ১০ জন আসামি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে থাকায় পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করা হয়।

আদালতে মূল নথি না থাকায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশিট গ্রহণ করতে পারেননি। মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাওয়া গেলে ওই দিন চার্জশিট গ্রহণ করা হতে পারে।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, দেশবাসী দেখেছেন, আমার মেয়ে তার স্বামীকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য কতকিছুই না করেছে। তারপরও পুলিশ নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমার মেয়েকে আসামি করেছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টও বলেছে আমার মেয়েকে আসামি করা ঠিক হয়নি। তারপরও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্নিকে আসামি করেছে। আমার মেয়েকে যখন আসামি করেছে তখন আমরা বিচার ফেস করব।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সরকারি কলেজে গেটের সামনে ২৬ জুন নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজিসহ তার সঙ্গীরা রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে। পরে ওইদিন বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত শরীফ মারা যান।

রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম বাদী হয়ে ২৭ জুন নয়ন বন্ডসহ ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় মামলা করেন।

‘দেশবাসী দেখেছে স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নি কতকিছুই না করেছে’

 বরগুনা প্রতিনিধি 
০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ছবি: যুগান্তর

আমার মেয়ে তার স্বামীকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য কতকিছুই না করেছে। তারপরও পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমার মেয়েকে অন্যায়ভাবে আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর রোববার বিকালে তিনি যুগান্তরকে এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে ৭নং আসামি করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুইখণ্ড চার্জশিট দাখিল করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা থানার ওসি। মামলায় ১৪ জন আসামি শিশু ও মিন্নিসহ ১০ জন আসামি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে থাকায় পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করা হয়।

আদালতে মূল নথি না থাকায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশিট গ্রহণ করতে পারেননি। মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাওয়া গেলে ওই দিন চার্জশিট গ্রহণ করা হতে পারে।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, দেশবাসী দেখেছেন, আমার মেয়ে তার স্বামীকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য কতকিছুই না করেছে। তারপরও পুলিশ নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমার মেয়েকে আসামি করেছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টও বলেছে আমার মেয়েকে আসামি করা ঠিক হয়নি। তারপরও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্নিকে আসামি করেছে। আমার মেয়েকে যখন আসামি করেছে তখন আমরা বিচার ফেস করব।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সরকারি কলেজে গেটের সামনে ২৬ জুন নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজিসহ তার সঙ্গীরা রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে। পরে ওইদিন বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত শরীফ মারা যান।

রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম বাদী হয়ে ২৭ জুন নয়ন বন্ডসহ ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় মামলা করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রিফাতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন