বাউফলে সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
বাউফলে সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা

  বাউফল প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৪:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাউফলে সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে আসামিরা। নিহতের নাম মো. কবির হোসেন বয়াতি (৩৮)।

শনিবার রাতে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাত সাড়ে ৭টার দিকে কবির বয়াতী আসামি কুদ্দুসের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় কুদ্দুস ও কবিরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কুদ্দুস ও তার পরিবারের লোকজন কবিরকে কুপিয়ে বাড়ির উঠানে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে পুলিশ কবিরকে উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূর্ব বিরোধ এবং মামলার জেরেই হত্যা করা হয়েছে কবির বয়াতীকে। এ ঘটনার নেপথ্যে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার জড়িত বলে দাবি করেন নিহতের স্বজনরা।

উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্কুলছাত্র সজীবকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গত ২৬ জুলাই সজীবের বাবা কবির হোসেন বয়াতী বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে বলেন, এসব ষড়যন্ত্রমূলক কথা, কী কারণে এ ধরনের কথা বলা হচ্ছে আমার ধারণা নেই। আমি খবর পেয়ে কবিরকে উদ্ধারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করি।

ঘটনাস্থলে চৌকিদার পাঠাই। আমি জেলা সদর পটুয়াখালীতে থাকার কারণে ঘটনাস্থলে যেতে পারি নাই।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কুদ্দুস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাউফলে সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা

 বাউফল প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাউফলে সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: যুগান্তর

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সন্তানকে হত্যাচেষ্টা মামলার বাদীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে আসামিরা। নিহতের নাম মো. কবির হোসেন বয়াতি (৩৮)।

শনিবার রাতে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, রাত সাড়ে ৭টার দিকে কবির বয়াতী আসামি কুদ্দুসের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় কুদ্দুস ও কবিরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কুদ্দুস ও তার পরিবারের লোকজন কবিরকে কুপিয়ে বাড়ির উঠানে বেঁধে রাখে। 

খবর পেয়ে পুলিশ কবিরকে উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূর্ব বিরোধ এবং মামলার জেরেই হত্যা করা হয়েছে কবির বয়াতীকে।  এ ঘটনার নেপথ্যে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার জড়িত বলে দাবি করেন নিহতের স্বজনরা।

উল্লেখ্য গত ২০ জুলাই রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্কুলছাত্র সজীবকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গত ২৬ জুলাই সজীবের বাবা কবির হোসেন বয়াতী বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে বলেন, এসব ষড়যন্ত্রমূলক কথা, কী কারণে এ ধরনের কথা বলা হচ্ছে আমার ধারণা নেই। আমি খবর পেয়ে কবিরকে উদ্ধারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করি।  

ঘটনাস্থলে চৌকিদার পাঠাই। আমি জেলা সদর পটুয়াখালীতে থাকার কারণে ঘটনাস্থলে যেতে পারি নাই।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কুদ্দুস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন