পাবনায় থানায় ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ে: আরও দুই আসামি গ্রেফতার

  যুগান্তর রিপোর্ট ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:১২ | অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় থানায় ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ে: আরও দুই আসামী গ্রেফতার

পাবনার গৃহবধূকে গণধর্ষণের মামলায় এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে তাদেরকে টেবুনিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন-জাকির হোসেন ড্রাইভার (৩৫) ও সঞ্জু মোল্লা(২২)। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম।

গ্রেফতার জাকির হোসেন সদর উপজেলার ইসলামগাঁতি গ্রামের আব্দুস ছামাদ সরদারের ছেলে। আর সঞ্জু মোল্লা টেবুনিয়া ফলিয়া গ্রামের কালাম মোল্লার ছেলে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুই আসামিকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে গণধর্ষণের মামলায় মোট ৪ জনকে গ্রেফতার হয়েছে। তারা হল- রাসেল, হোসেন আলী। ওসমান নামে অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে থানায় অভিযুক্ত ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বিয়ে দেয়ার ঘটনায় পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুল হককে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার এবং পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে পাবনা জেলা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে সদর থানার ওসি ওবায়দুল কে প্রত্যাহার এবং এসআই একরামুলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানান এসপি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ আগষ্ট রাত থেকে আসামিরা এক গৃহবধূকে ৪ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এক সময় নির্যাতিতা পালিয়ে সদর থানায় আশ্রয় নেয় এবং অভিযোগ করেন। কিন্তু তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে পুলিশ ধর্ষক রাসেলের সঙ্গে তাকে বিয়ে দেন। এ ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলে পুলিশের নির্দেশে ৯ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

অভিযোগকারী ওই নারী বলছেন, শুক্রবার রাতে পাবনা সদর থানায় জোর করে তাকে বিয়ে দেয়া হয়।

তবে পাবনা সদর থানার ওসি ওবায়দুল হক বলেন, তারা নিজেরা নিজেরাই মীমাংসা করে বিয়ে করেছেন। আর যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, ‘রিমান্ডের ভয়’ দেখিয়ে পুলিশ তাদের বিয়ে দিয়েছে।

এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) ফিরোজ আহমেদকে প্রধান ও ডিআই-১ এবং সদর কোর্ট ইন্সপেক্টরকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×