পুলিশের সহযোগিতায় কিশোর হত্যা, এসআই আকরামের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

সুষ্ঠু বিচারের দাবি নিহত মিলনের মায়ের (ইনসেটে মিলন)
সুষ্ঠু বিচারের দাবি নিহত মিলনের মায়ের (ইনসেটে মিলন)

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাত সন্দেহে পুলিশের উপস্থিতিতে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে (১৬) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই আকরাম শেখসহ পলাতক ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নোয়াখালী আমলী আদালত-২-এর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মোসলে উদ্দিন মিজান এ আদেশ দেন।

আদালত সুত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৬ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে স্থানীয়রা। ওইদিন সকালে কিশোর মিলন চরফকিরা গ্রামের বাড়ি থেকে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথে চরকাঁকড়া একাডেমি স্কুলের সামনে থেকে একদল লোক তাকেও ডাকাত সন্দেহে আটক করে পুলিশের গাড়িতে তুলে দেন।

কোম্পানীগঞ্জের তৎকালীন এসআই মো. আকরাম শেখের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মিলনকে থানায় না নিয়ে ডাকাত সাজিয়ে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজার এলাকায় উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেন। এরপর লোকজন নিরপরাধ কিশোর মিলনকে পুলিশের উপস্থিতিতে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

ঘটনার কয়েকদিন পর মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিওচিত্রে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর গণমাধ্যমে ওঠে আসে। এ নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় উঠে।

পরবর্তীকালে ২০১৫ সালের জুলাই মাসের প্রথম দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নোয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ওসি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মামলায় তদন্তে ভিডিওচিত্র দেখে হত্যার ঘটনায় শনাক্ত হওয়া ২৭ ব্যক্তি ও চার পুলিশ সদস্যসহ ৩২ জন আসামির সবাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে নোয়াখালীর ২নং আমলি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল) রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন।

পরে মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন আহম্মেদ চলতি বছরের ৯ মার্চ আদালতে পুলিশ সদস্যদের বাদ দিয়ে ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। কিন্তু সোমবার আদালত মামলার নথি পর্যালোচনা করে এসআই আকরাম শেখকে চার্জশিটভুক্ত করেন।

এর মধ্যে আবদুর রাজ্জাক নামে একজনের মৃত্যু হওয়ায় তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ মামলায় বর্তমানে আট আসামি জামিনে রয়েছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×