মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে মিন্নি
jugantor
মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে মিন্নি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:১৬:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসছেন।

শনিবার বিকাল ৪টায় বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে এমভি শাহরুখ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন মিন্নি। তার সঙ্গে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও নানা জাকির সিকদার রয়েছেন।

এ বিষয়ে মিন্নির বাবা বলেন, জামিন পাওয়ার পর থেকে মিন্নি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। সে কারও সঙ্গে কথা বলে না, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করে না। দিনের পর দিন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে।

উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছি। মিন্নিকে চিকিৎসক ও মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলেও জানান তিনি।

গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশলাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে ছয় কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এ ছাড়া, মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুইজন।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে মিন্নি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ফাইল ছবি

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসছেন।

শনিবার বিকাল ৪টায় বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে এমভি শাহরুখ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন মিন্নি। তার সঙ্গে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও নানা জাকির সিকদার  রয়েছেন। 

এ বিষয়ে মিন্নির বাবা বলেন,  জামিন পাওয়ার পর থেকে মিন্নি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। সে কারও সঙ্গে কথা বলে না, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করে না। দিনের পর দিন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। 

উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছি। মিন্নিকে চিকিৎসক ও মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলেও জানান তিনি। 

গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশলাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। 

গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে ছয় কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এ ছাড়া, মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুইজন।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন