কিশোরগঞ্জে বকেয়া ভাড়ার জন্য প্রাণ গেল মিশুক চালকের
jugantor
কিশোরগঞ্জে বকেয়া ভাড়ার জন্য প্রাণ গেল মিশুক চালকের

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৫২:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নিহত সাগরের স্বজনদের আহাজারি

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মিশুক রিকশাচালক সাগর (১৫) নামের এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ভাড়ার বকেয়া টাকা চাওয়াই তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুইজন।

শনিবার সন্ধ্যায় কুলিয়ারচর এলাকার বাজরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তারাকান্দি এলাকার একটি ধান ক্ষেত থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহত কিশোরের মা আছমা বেগম বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় শনিবার রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শনিবার রাতে বাজিতপুর পৌর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে রিফাত (১৯) ও কাশেম মিয়ার ছেলে সুজন (১৮) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহত সাগর পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলার আতকাপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে।

গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে রোববার সকালে কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দেয়া হয় এবং লাশের ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ পাঠানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতারকৃত দুজনই হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়।

বাদীর অভিযোগে জানা গেছে, রিফাত ও সুজন প্রায় সময় কিশোর সাগরের মিশুক রিজার্ভ নিয়ে ভাড়ার টাকা পরিশোধ করত না। কিশোর সাগর মিশুকের আয় দিয়েই কোনোরকম সংসার চালাত। গত কয়েকদিনে ভাড়া বাবদ দু'জনের কাছে প্রায় দেড় হাজার টাকা বাকি পড়ে।

কয়েকদিন আগে ভাড়ার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য সাগরের সঙ্গে দু'জনের তর্কবিতর্ক হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে পরিকল্পিতভাবে বকেয়া ভাড়া পরিশোধের কথা বলে পুনরায় তার মিশুক রিকশা ভাড়া করে রিফাত ও সুজন। তারপর কুলিয়ারচর তারাকান্দা নামক স্হানে মিশুকটি পৌঁছলে সাগরকে ধানক্ষেতে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দু'জন পালিয়ে যায়।

এদিকে কিশোরের পরিবার তাকে খুঁজতে থাকে। পরে পুলিশকে ঘটনা জানালে শনিবার এলাকাবাসীর খবরে সাগরের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। তারপর রাতেই দু'জনকে বাজিতপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার এসআই তাজমুল করিম জানান, বকেয়া ভাড়া দেড় হাজার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ ও কথাকাটাকাটিতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে বলে তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে রিফাত ও সুজন। ঘটনায় মামলা করেছেন নিহত সাগরের মা।

কিশোরগঞ্জে বকেয়া ভাড়ার জন্য প্রাণ গেল মিশুক চালকের

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিহত সাগরের স্বজনদের আহাজারি
নিহত সাগরের স্বজনদের আহাজারি

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মিশুক রিকশাচালক সাগর (১৫) নামের এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ভাড়ার বকেয়া টাকা চাওয়াই তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুইজন।

শনিবার সন্ধ্যায় কুলিয়ারচর এলাকার বাজরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তারাকান্দি এলাকার একটি ধান ক্ষেত থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহত কিশোরের মা আছমা বেগম বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় শনিবার রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শনিবার রাতে বাজিতপুর পৌর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে রিফাত (১৯) ও কাশেম মিয়ার ছেলে সুজন (১৮) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহত সাগর পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলার আতকাপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে।

গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে রোববার সকালে কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দেয়া হয় এবং লাশের ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ পাঠানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতারকৃত দুজনই হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়।

বাদীর অভিযোগে জানা গেছে, রিফাত ও সুজন প্রায় সময় কিশোর  সাগরের মিশুক রিজার্ভ নিয়ে ভাড়ার টাকা পরিশোধ করত না। কিশোর সাগর মিশুকের আয় দিয়েই কোনোরকম সংসার চালাত। গত কয়েকদিনে ভাড়া বাবদ দু'জনের কাছে প্রায় দেড় হাজার টাকা বাকি পড়ে।

কয়েকদিন আগে ভাড়ার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য সাগরের সঙ্গে দু'জনের তর্কবিতর্ক হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে পরিকল্পিতভাবে বকেয়া ভাড়া পরিশোধের কথা বলে পুনরায় তার মিশুক রিকশা ভাড়া করে রিফাত ও সুজন। তারপর কুলিয়ারচর তারাকান্দা নামক স্হানে মিশুকটি পৌঁছলে সাগরকে ধানক্ষেতে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দু'জন পালিয়ে যায়।

এদিকে কিশোরের পরিবার তাকে খুঁজতে থাকে। পরে পুলিশকে ঘটনা জানালে শনিবার এলাকাবাসীর খবরে সাগরের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। তারপর রাতেই দু'জনকে বাজিতপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার এসআই  তাজমুল করিম জানান, বকেয়া ভাড়া দেড় হাজার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ ও কথাকাটাকাটিতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে বলে তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে রিফাত ও সুজন। ঘটনায় মামলা করেছেন নিহত সাগরের মা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন