চুয়াডাঙ্গায় হোটেলের বিরিয়ানি খেয়ে ৪০ শিক্ষকসহ অসুস্থ ৬০

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গায় হোটেলের বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ তিন শিক্ষক।
চুয়াডাঙ্গায় হোটেলের বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ তিন শিক্ষক। ছবি-যুগান্তর

চুয়াডাঙ্গায় হোটেলের বিরিয়ানি খেয়ে ৪০ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ছাড়া শিশুসহ তাদের পরিবারের আরও ২০ জন অসুস্থ হয়েছেন।

শিক্ষকদের কেউ কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অনেকেই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অসুস্থতার কারণে অধিকাংশ শিক্ষকই আজ ক্লাসে যেতে পারেননি।

রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের একটি দোকান থেকে বিরিয়ানি খাওয়ার পর রাতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন শিক্ষকরা।

দামুড়হুদার সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম বলেন, ‘আলমডাঙ্গার কমলাপুর পিটিআই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ নিচ্ছি। আমরা সাত প্রশিক্ষণার্থী জেলা শহরের ঝিনুক বিদ্যাপীঠ সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ে এবং ১১ জন রিজিয়া খাতুন প্রভাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষক হিসেবে আছি।

রোববার দুই স্কুলে ছিল পাঠ সমীক্ষা ক্লাস। এ উপলক্ষে আমরা দুপুরে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করি।

চুয়াডাঙ্গা থানা রোডের ‘শাহি নান্না বিরিয়ানি হাউস’ থেকে আমরা শিক্ষকদের জন্য ৪৩ প্যাকেট মোরগ পোলাও কিনি।

বেলা দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে খাই। পার্শ্ববর্তী এলাকার কোনো কোনো শিক্ষক বাড়িতে নিয়ে যান এবং শিশুসন্তানসহ পরিবারের লোকজনকে খাওয়ান। রাত ৮টার পর সবাই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হই।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, আবদুস সালাম ও আঁখি জানান, তারা বিরিয়ানি খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সোমবার কেউ ক্লাসে যেতে পারেননি।

শিক্ষক নুসরাত জাহান, শ্যামলী খাতুন, বৃষ্টি খাতুন ও ইলা পারভীন বলেন, আমরা ওই বিরিয়ানি বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম। এতে আমাদের শিশুসন্তানসহ পরিবারের অনেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

তারা অভিযোগ করেন, খাবারে বাসি-পচা মেশানোর কারণেই আমাদের এমনটি হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. শামীম কবির জানান, ‘এটা ফুডপয়জনিং। খাবারের সমস্যার কারণে এটি হয়ে থাকতে পারে।’

এ বিষয়ে ‘শাহি নান্না বিরিয়ানি হাউস’র মালিক মো. ফেরদৌস বলেন, ‘আমি চার-পাঁচ মাস হলো দোকান দিয়েছি। এর আগে কেউ এমন অভিযোগ করেনি। আমি সবসময় টাটকা খাবার বিক্রি করি।

এ ব্যাপারে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক যুগান্তরকে বলেন, আমি সোমবার দুপুরে খবর পাওয়ার পর বিরিয়ানির হোটেলটি পরিদর্শন করেছি। হোটেলের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলেও পাশে একটা পচা ড্রেন আছে। তবে বাসি-পচা খাবার মেশানো হয়েছে কিনা তা বোঝা যাচ্ছে না। আমি চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র বরাবর শিক্ষকদের অভিযোগ করতে বলেছি। এর পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×