নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে

  সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:২১ | অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে

নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অদক্ষ কর্মী দিয়ে কম্পিউটার এন্ট্রিসহ পাসপোর্ট তৈরির নানা ধরনের কাজ করানো হচ্ছে।

এসব অদক্ষ কর্মীর কারণে গ্রাহকদের দুর্ভোগে পড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অফিসে অদক্ষ কর্মীদের জন্য প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হয়ে সময় ও অর্থ অপচয় হচ্ছে পাসপোর্ট করতে আসা লোকজনদের।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাসপোর্ট অফিসে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রি করার জন্য যেসব কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই অদক্ষ হওয়ায় গ্রাহকের তথ্য কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করার সময় প্রায়ই ভুল করে আসছে।

এভাবে ভুল ডাটা এন্ট্রির কারণে পরে পাসপোর্টটি বাতিল করে নতুন করে টাকা জমা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।

কখনও কখনও গ্রাহকরা তাদের ভুল ধরিয়ে দিলেও বানান সংশোধনের নামে ফাইল দিনের পর দিন ফেলে রাখে। যার কারণে জরুরি পাসপোর্ট করতে আসা গ্রাহকরা আর দ্রুত পাসপোর্ট হাতে পাচ্ছেন না। এতে গুনতেও হয় উল্টো জরিমানা।

অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নতুন কর্মকর্তা মাহামুদুল রহমান আসার পর থেকে পাসপোর্ট কর্মীরা ঝিমিয়ে পড়েছেন। পাসপোর্ট করতে আসা গ্রাহকরা দুর্ভোগে পড়ছেন প্রতিনিয়ত।

সম্প্রতি পাসপোর্ট করতে আসা সুজন নামে এক গ্রাহক জানান, তিনি জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করতে যান। ছবি তোলার পর তার পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ হাতে পেয়ে বাবার নামের ভুল দেখতে পান।

সঙ্গে সঙ্গে উপপরিচালককেও বিষয়টি জানান তিনি। কিন্তু এটি সংশোধনের কোনো উদ্যোগ না নিয়ে শুধু লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করে এক সপ্তাহ ফেলে রাখেন তিনি।

পাসপোর্ট করতে আসা আরেক ভুক্তভোগী জানান, বর্তমান উপপরিচালকের আসলে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকেই ডাটা এন্ট্রিতে খামখেয়ালি হচ্ছে। তাদের ভুলের জন্য আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে। বিষয়টি ঊধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান ভুক্তভোগীরা।

এদিকে ইদানীং এ অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। ইতিপূর্বে কয়েকজন দালালকে র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি আলেপ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম গ্রেফতার করার পর দালালদের দৌরাত্ম্য কমে গিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে দালালদের দৌরাত্ম্য আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ব্যাপারে উপসহকারী পরিচালক মাহমুদুল রহমানের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×